যতটুকু বিভিন্ন মাধ্যম থেকে জানা যাচ্ছে – জো বাইডেন-কমলা হ্যারিস জু’টি জিতবে। সিনেটে মিচ ম্যাককোনেলের নেতৃত্বে সম্ভবত:১/২ ভোটের ব্যবধানে যতটুকু দেখা যায়-রিপাবলিকান মেঝরিটি অব্যাহত থাকার কথা। হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভ স্পীকার পেলোসী’র নেতৃত্বে ডেমোক্রেটিক মেঝরিটি অব্যাহত থাকবে। আনঅফিসিয়াল ডিক্লারেশন আজ অথবা পরবর্তি দুই দিনের মধ্যে জলের মতো পরিস্কার হয়ে যাবে।তবে অফিসিয়েল ডিক্লারেশন ডিসেম্বরের ১’তারিখের আগে হওয়ার কথা নয়! তবে সিনেটে রিপাবলিকান মেঝরিটি বাইডেনকে ভবিষ্যতে যে কোন কর্ম সম্পাদনে সমস্যার মূখোমূখি করবে। ট্রাম্প হারলেও বা ডেমোক্রেসী’কে পিছিয়ে দিলেও ২০২০ নির্বাচন আমেরিকার ইতিহাসে জনগনের এতবেশী ভোট প্রদান আর দেখা যায়নি।তাই নি:সন্দেহে বলা যেতে পারে যে-গনতান্ত্রের সামগ্রিক বাস্তবতা নির্ধারণ করতে জনগনের নার্ভকে ট্রাম্পের অগনতান্ত্রিক কর্মকান্ড নাড়া দিয়েছে। জো বাইডেনের বিজয় সারা বিশ্বের গনতান্ত্রিক আন্দোলনের সৈনিকদের অনুপ্রাণিত করবে। বিশেষ করে প্রতিটি ভোট কেন মূল্যবান তা নিয়ে বড় ধরনের সচেতনতা গড়ে উঠবে। অগনতান্ত্রিক শাসকদের জন্যও অশনী সংকেত।
সিকদার গিয়াস উদ্দিন
কানেক্ট বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনালের অন্যতম নির্বাহী, কমিটি ফর ডেমোক্রেসী ইন বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক।

