অনুশীলন ছাড়া ক্রীড়া জগৎ কোনো কালেই এগিয়ে যেতে পারেনি। ফুটবলে না হলেও ক্রিকেটে বাংলার টাইগারদের রয়েছে একটা সুনাম, কিন্তু প্রতিপক্ষদের তুলনায় অনুশীলনের ধারাবাহিকতা যদি থেমে যায় তবে থুবড়ে পড়বে শেষ ভরসার জায়গাটি ক্রিকেট ।
ইউরোপীয় দেশ গুলোতে এই করোনা পরিস্থিতিতে কিছুটা সময় থেমে থাকলেও এখন চলছে পুরোদমে অনুশীলন। ফুটবল লীগ গুলোতে চলছে টুর্নামেন্ট দর্শক বিহীন মাঠে।
যুগের পরিবর্তন অনেক আগেই হয়েছে এ দেশগুলোতে। আর তার সার্বিক সফলতাই মিডিয়ার প্রচারে এসেছে। জার্মানিতে ১৬টা প্রভিন্সের প্রায় সকল প্রতিযোগিতা মুলক খেলাই প্রচার হয়ে আসছে টিভিতে অনন্তকাল কাল থেকে। এমনটা ইউরোপের দেশগুলোতেও। তাই বর্তমানে করোনায় আক্রান্ত হলেও এদের খেলা চলছে ধীরে ধীরে আবার পুরদোমে । দর্শক
টিভিতে ঘরে বসে উপভোগ করছে খেলা গুলো। মানুষজনকে ঘরে রাখার যেনো এক অভিনব কৌশল।
তবে এ ক্ষেত্রে বিশেষ করে জার্নানির আর্থিক কৌশল বিশ্বকে হার মানিয়েছে, কেনো না, যার ঘরে টি,ভি আছে তাঁকে প্রতি তিন মাস পর পর পঞ্চাশ ইউরোর বেশী সরকারকে দিতে হয় যা বাধ্যতা মুলক,প্রনোদন কর। অর্থাৎ ৫০, ইউরো অর্থাৎ ৫০০০ হাজার টাকার মত। তাই দর্শক মাঠে অথবা ঘরে কোটাতেই বঞ্চিত হচ্ছে না খেলা দেখতে। আর এর কারণেই ৮০% থেকে ৯০% দর্শক ঘরে।
জনগণের নিকট থেকে রাজস্ব আদায় ও তা জনকল্যাণে খরচের সাফল্যতা সরকারকে তার সুনাম ও বদনাম ধরে রাখতে সহায়ক হয়। তবে আশা রাখি এই আর্থিক বিষয়গুলো নিয়ে সরকার আগামীতে কাজ করবে। তবে সরকার জনগণকে ঘরে রেখে বিনোদন দিতে এবং দেশের ক্রীড়া জগৎ কে বাঁচিয়ে রাখতে কোনো কাল ক্ষেপন না করে মাঠে দর্শক ছাড়াই বলে টুর্নামেন্ট ও ক্রিকেটে প্রিমিয়ারলীগ টিভি সম্প্রচারের উদ্যোগী হবে এটাই প্রত্যাশা। খেলোয়াড়’রা সম্পদ হয়ে বয়ে নিয়ে আসুক দেশের সুনাম, এই আশার ভরসার স্থল হউক মিডিয়ার সম্প্রচার ।
মায়েদুল ইসলাম তালুকদার , প্রবাসী কবি এবং সাংস্কৃতিক সংগঠক ।

