অস্বাস্থ্যকর পণ্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন

 

 

স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর  নকল প্রসাধনী, ঐষধপত্র, মশার কয়েল তৈরীর কারখানার খোঁজ পাওয়ার সাথে সাথে সীলগালা করে দেওয়া ও কারখানার মালিকদের ১৬ বৎসর সশ্রম কারাদন্ডের বিধান রেখে আইন  প্রণয়ন  এবং তার   সঠিক প্রয়োগ করার বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।
যারা এ গুলো করে তারা পয়সার জন্য মানুষের জীবন নিয়ে খেলে, এতে পয়সা দিয়ে পার পাওয়ারও ব্যাবস্থা তারা রাখে, তাই কঠোর আইনগত ব্যবস্থা ছাড়া এর প্রতিকার সম্ভব নয়।
বিগত দিন গুলোতে ভ্রাম্যমান আদালত অর্থ দন্ডে দন্ডিত করলেও একই ধারাবাহিকতায় এমন অসাধু ব্যবসা চলেই আসছে, আর এতে দিনের পর দিন ভেঙ্গে পড়ছে স্বাস্থ্যখাত।
অন্য দিকে পানি সরবরাহ সংস্থার কিছু অসাধু কর্মচারীর কারণে মেঘা সিটি  গুলোতে যেমনটা হচ্ছে পানি সঙ্কট, অন্যদিকে ড্রেন ও ক্যানেল গুলোকে যথা সময়ে  সঞ্চালনের    উপযুক্ত না করাতে শহর ও নগর জীবনে হচ্ছে জলাবদ্ধতা।
তাই পৌরসভার পরিছন্ন কর্মীদের  কর্মতৎপরতার  উপর বিশেষ দৃষ্টি দেওয়ার জন্য বিশেষ ভূমিকা রাখতে অনুরোধ জানাচ্ছি।
তথ্য গুলো বিভিন্ন মিডিয়াতে বার বার ভাইরাল হচ্ছে, কিন্তু অগ্রগতি একই ধারায় চলছে, যা কোনো ক্রমেই জনস্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় এর দায়ভার  এড়িয়ে যেতে পারে না,তাই সময় এসেছে এর উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা। দেশের সকল সমস্যা সমাধানের পথ আছে, শুধু যা প্রয়োজন তা হচ্ছে প্রত্যেক দায়িত্ব প্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীদের সঠিক ভাবে কাজ গুলোকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। জনগণকেও  এ সমস্ত বিশেষ দৃষ্টপাত করতে হবে কারণ, এতে সমস্যা জনগণের ভোগ করতে হয়, তাই জনগণকে সচেতনতামূলক পদোক্ষেপ নিতে হবে ।

মায়েদুল ইসলাম তালুকদার , জার্মান   প্রবাসী সমাজকর্মী এবং কবি ।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.