১৯৭১ সালের মে থেকে কয়েকমাস যাবত অমানুষিক শারীরিক নির্যাতনে এই শিক্ষাবিদের মানসিক বৈকল্য ঘটে। সেটা থেকে তিনি আর কোনোদিন সুস্থ হতে পরেননি।
তাঁকে জীবন্ত শহীদ বলা হতো।
তাঁর কথা প্রথম পড়ে ভীষণ আন্দোলিত হবার পাশাপাশি হতাশও হয়েছিলাম। কারণ, এমন সাহসী মানুষটিকে নিয়ে তেমন আলোচনা হয়না, এটা ভেবে।
জয়পুরহাটের এই বীর সন্তান ১৯৫২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বপূর্ণ রেজাল্ট করে গণিতে মাস্টার্স পাস করেন। ১৯৬৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন থেকে এপ্লায়েড ম্যাথমেটিক্সে দ্বিতীয় মাস্টার্স করেন। তিনি করাচীর একাধিক কলেজে শিক্ষকতা করার পর ১৯৬৭ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনিয়র লেকচারার (বর্তমান সহকারী অধ্যাপক) পদে যোগদান করেন।
মুক্তিযুদ্ধে অবিস্মরণীয় ত্যাগের জন্য ২০১৫ সালে সরকার তাঁকে একুশে পদকে ভূষিত করেন।
এই মহান আত্মত্যাগী শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মজিবুর রহমানের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই।
শুদ্ধস্বর/আইপি

