নির্বাচনের সময় একাধিকবার কেন্দ্রীয় সরকার ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তীব্র সমালোচনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে রাজ্যের বকেয়া টাকা রাজনৈতিক কারণে আটকে রাখা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। কিন্তু, করোনা ভাইরাস (Corona Virus) -এর সৌজন্যে সেইসব দিন এখন অতীত! দেশ ও রাজ্যবাসীকে বাঁচাতে একসঙ্গে কাজ করেছ কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার। তার প্রমাণ মিলেছে গত কয়েকদিনের কিছু ঘটনাতেও।
করোনা নামক মারণ ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে পশ্চিমবঙ্গের নাগরিকদের বাঁচাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আন্তরিক প্রচেষ্টা দেখে মুগ্ধ হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ভূয়সী প্রশংসাও করেছেন। সৌজন্যতার এই ঘটনা দেখে অনেকে কটাক্ষ করলেও দু’পক্ষই ভ্রূক্ষেপ করেননি। এবার করোনা যুদ্ধে মোকাবিলার জন্য প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ত্রাণ তহবিলে নিজের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা দান করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, রাজ্যের জরুরি ত্রাণ তহবিলেও পাঁচ লক্ষ টাকা দান করেছেন তিনি।
শনিবার বিকেলে এই বিষয়টির কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি টুইট করেন, ‘আমি বিধায়ক বা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কোনও মাইনে নিই না। এমনকী সাতবারের সাংসদ থাকার জন্য যে পেনশন দেওয়া হয় তাও ছেড়ে দিয়েছে। আমার তৈরি কিছু মিউজিক ও বই থেকে রয়্যালটি বাবদ কিছু টাকা পাই। তার থেকে করোনা মোকাবিলার জন্য প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ত্রাণ তহবিলে পাঁচ লক্ষ টাকা ও রাজ্যের জরুরি ত্রাণ তহবিলে পাঁচ লক্ষ টাকা সাহায্য করেছি।’
শুদ্ধস্বর/বি এস

