যুদ্ধের মাঠ থেকে ধানক্ষেত এবং চেক কীট
ডাঃ জাফরুল্লাহ চৌধুরী স্বল্পমুল্যে করোনা ভাইরাস চেক কীট বানিয়েছেন, উনার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে । প্রথমেই স্বাগত জানাই।
এই কীটের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে মানদন্ডে কি ? এবং কতটুকু ফলপ্রসূ জানিনা । তবে সময়োপযোগী একটি প্রচেষ্টা, এটা স্বীকার করতেই হবে। যদি বিষয়টি কার্যকরী হয়, তাহলে সরকারের উচিত হবে, একটুও দেরী না করে, এই মূহুর্তে ডা : জাফরুল্লা সাহেবের সাথে একান্ত বৈঠক করে, আরো কিভাবে নির্ভুলভাবে কার্যকর করা যায়, তা দ্রুত প্রচেষ্টা চালানো । বিশ্ব যেখানে বর্তমানে করোনা নিয়ে হিমসিম খাচ্ছে, সেখানে এটাকে জন কল্যাণে দ্রুত কাজে লাগানো। মনে রাখা ভালো , আমরা যতই বলে বেড়াই, আমরা ধনিক দেশে রূপান্তর হয়েছি, সে পথ এখনও বহুদূর । শুধু আশা করবো সরকার বিষয়টিকে সিরিয়াসলি নিয়ে এগুবে ।
ছোট্ট করে বলি, ভা: জাফরুল্লা চৌধুরী সাহেবের এই প্রচেষ্টা অত্যন্ত সময়োপযোগী । যেমনটি ৭১ এ যুদ্ধের মাঠে থাকার সিদ্ধান্তটি ছিলো তার সময়োপযোগী । আবার স্বাধীনতার পর পর ধানক্ষেতে লুঙ্গি পরে, কৃষকদের সাথে হাতে হাত মিলিয়ে ধান বুনা ছিলো সময়োপযোগী । অনেকের মনে থাকার কথা , সেই সময়ে পত্রিকায় একটি বিরাট ছবি এসেছিলো, একজন লোক কৃষকদের সাথে হাটু পানিতে পা গেড়ে ধান বুনছেন। তিনি ছিলেন ডা : জাফরুল্লা । সেই সময়ের ইত্তেফাক ঘেঁটে দেখুন, পেয়ে যাবেন কিংবা উনাকে জিজ্ঞাসা করলেই জেনে যাবেন । সেই সময়ে ডা :জাফরুল্লা সাহেবের ভাষ্য ছিলো, এখন দেশে ডাক্তারির চেয়েও ক্ষেত খামারিতে বেশি করে কাজ করা জরুরি । যে কেউ ডাক্তার সাহেবকে জিজ্ঞাসা করে দেখতে পারেন । আমার ক্ষুদ্র জ্ঞাণের স্বরণের কথাগুলো, উত্তর উনিই ভালো দিতে পারবেন।
শেষে একটি কথা বলতেই হয়,
” মানবতাবোধ থাকলে অসম্ভবকে সম্ভব করা সহজ ও সম্ভব “।
স্যালুট টু ডা : জাফরুল্লা ।
বুলবুল তালুকদার , যুগ্ম সম্পাদক , শুদ্ধস্বর/ডটকম

