আগামী দু’সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুহার সর্বোচ্চ হতে পারে- ট্রাম্প

করোনা সংক্রমণে বাড়ছে লাশের সারি। এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ মহামারি রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. অ্যান্থনি ফাউস সতর্কতা দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে এক লাখ থেকে দুই লাখ মানুষ মারা যাবেন করোনা ভাইরাসে। এরপরই প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প স্টে-অ্যাট-হোম বা ঘরে থাকার মেয়াদ পুরো এপ্রিল মাস পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছেন। অর্থাৎ ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত তাদেরকে ঘরেই অবস্থান করতে হবে।

রোববার তিনি এ ঘোষণা দেন বলে খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্সসহ সব মিডিয়া। এর আগে যেসব শহরে বা এলাকায় করোনা ভাইরাস মহামারি আকারে দেখা দেয় নি, সেখান থেকে লকডাউন প্রত্যাহারের কথা বলেছিলেন অর্থনীতির কথা ভেবে। কিন্তু একদিকে মৃত্যু এবং অন্যদিকে মারা যাওয়ার সতর্কতার মুখে তিনি তার অবস্থান থেকে ফিরে এসেছেন। রয়টার্সের হিসাব মতে, যুক্তরাষ্ট্রে করোনা সংক্রান্ত শ্বাসকষ্টে মারা গেছেন কমপক্ষে ২৪৬০ জন।

আক্রান্ত হয়েছেন এক লাখ ৪১ হাজার মানুষ। এমন প্রেক্ষাপটে হোয়াইট হাউজের রোজ গার্ডেনে ব্রিফিংয়ে ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় মৃত্যুহার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছতে পারে আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে। তিনি মার্কিনিদের বলেন, আপনারা যত ভালভাবে নিয়ম মেনে চলবেন তত দ্রুততার সঙ্গে আমরা এই পুরো ভীতিকর অবস্থা থেকে মুক্তি পাবো।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের মতে, ২০১০ সাল থেকে প্রতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে ফ্লুতে মারা যান ১২০০০ থেকে ৬১০০০ মানুষ। ১৯১৮ থেকে ১৯১৯ সালে যে ফ্লু মহামারি দেখা দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রে তাতে মারা গিয়েছিলেন ৬ লাখ ৭৫ হাজার মানুষ।

 

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.