Rohingya refugees wait in an area following a boat capsizing accident, in Teknaf on February 11, 2020. - At least 14 people drowned and dozens more were unaccounted for after a boat carrying Rohingya refugees sank off southern Bangladesh early February 11, officials said. (Photo by STR / AFP)

নৌকাডুবিতে হতাহতদের সহায়তা দিতে প্রস্তুত জাতিসঙ্ঘ

বঙ্গোপসাগরের সেন্টমার্টিন্স দ্বীপের উপকূলে নৌকাডুবির ঘটনায় হতাহতদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রস্তুত জাতিসঙ্ঘ। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) ও জাতিসঙ্ঘ শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) দুর্ঘটনায় হতাহতের সাহায্যে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সরকারের সাথে কাজ শুরু করেছে।

মঙ্গলবার জাতিসঙ্ঘের দেয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আইওএম, ইউএনএইচসিআরসহ জাতিসঙ্ঘের সব সংস্থা ও এনজিওগুলো এ ঘটনায় গভীরভাবে দুঃখিত। আমরা সরকারের পাশে থেকে উদ্ধারকৃতদের খাদ্য, আশ্রয়, চিকিৎসা বা অন্য যে কোন সহায়তায় এগিয়ে আসতে প্রস্তুত রয়েছি।

এতে বলা হয়, কক্সবাজারে অনিয়মিত ও অনিরাপদ নৌযাত্রা নতুন কোনো ঘটনা নয়। রোহিঙ্গা শরণার্থী ও বাংলাদেশী জনগণ উভয়েই পরিস্থিতির শিকার হয়ে এ ধরনের ঝুঁকি নিয়ে থাকে। সাগরপথে অনিরাপদ ভ্রমণের কথা বিবেচনা করে জাতিসঙ্ঘ ও বাংলাদেশ সরকার উভয় জনগোষ্ঠীর সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করে আসছে। মানবপাচাররোধে আমরা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর সাথে কাজ করে যাচ্ছি। মানবপাচার থেকে উদ্ধারকৃতদের জন্য কক্সবাজার জেলায় নানাবিধ সহায়তার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

গত সোমবার রাতে দুটি ট্রলার ২৫০ জনের বেশি রোহিঙ্গা নিয়ে টেকনাফের মোনাখালী এলাকা থেকে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা দেয়। পরে সেন্টমার্টিন দ্বীপের ৩/৪ কিলোমিটার কাছে একটি ট্রলার যাত্রীসহ পানিতে ডুবে যায়। কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী ১৫ জনের লাশ উদ্ধার করেছে। এছাড়া ৬৩ জন রোহিঙ্গাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

শুদ্ধস্বর/আইকে

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.