কেউ জানেনা নিজের বুকে কে সাজায় চিতা,
কে দেয় তাতে অনল,
কেউ জানেনা একটা হৃদয় কতটা অভিমানে পুড়ে ছারখার,
শুধু আমিই জানি আর
জানে আমার পূর্বরাগ।
প্রতারক পুরুষ, বাম বুকে হাত রাখো,শব্দ শুনতে পাচ্ছো,
ওটা হৃদয়।
তোমার প্রতারণা আর ভুলের বুননে, ঐখানে আমার নিরন্তর রক্তক্ষরণ। তোমারটা সবে শুরু, আর কিছুদিন অপেক্ষা করো,,,,,
হৃদ না হোক রক্তাল্পতায় ভোগো, আর কিছুদিন কাঁদো, বেনো জলে ভাসো,
কান্না ভাসার দোলা চলে আমারটা শেষ, তোমার সবে শুরু।
কতোটা অপবাদ অপমান গ্লানির চুপসে থাকা ,
বিষাদে মাথা কুটে মরেছে আমার চৈতি বেলা তিমির অন্ধকারে ,
চোখের সামনে আজও য্যানো ভাসে।
ভাঙা মনে ভাষাহীন নিশ্চুপ সয়ে গ্যাছি সবি রাত্রি দিন ,
প্রতিবাদী হয়ে উঠিনি, অধিকারের প্রতিদান চাইনি,
নির্বাক জীবন তরী বৈরী আবহাওয়ায় একাই দিয়েছি পাড়ি।
কেউ জানেনা,শুধু আমিই জানি,আর জানেন ঐ অধিশ্বর।
আমার বুকের চিতায় তোমার ধরানো অনল,
আমি যদি জ্বলি সখা ,
তুমিও জ্বলবে কিছুকাল ।
অবিশ্বাসী ভন্ড, মৌ-লোভী নিকৃষ্ট ,
ওহ্হো,,,,,, তুমি নাকি উৎকৃষ্ট, দেবতা পুরুষ?
কোথাকার কোন *রোমিও* ভেবেছিলে নিজেকে,
নিজের ছিরি-ছারায়।
পর জুলিয়েটে মেতে গর্বে থাকতে গরীয়াণ।
সেসব কথা বুঝি আজ ভুলেই গ্যালাম???
আমি যে কি ছাই তবে , বয়স হচ্ছে তো।
আমি য্যানো কি ডেকেছি,, ডেকেছি মাকাল ফল,,,,,,লাল মূলাও,,,,,,,, ।
অপরাধ মার্জনীয়,,,,,,,,,,
নষ্ট পুরুষ ভ্রষ্ট আঁধারে অন্য দেহে তোমার দেহের কাঁটাকুটির কৃষ্ণলীলার খ্যালা।
কেউ না বলুক, আমি বলি তুমি অসূর।
আরও যা জানি নাইবা বললাম মুখে,
আমার কাছে নেই কোনো আর তোমার গল্পের অন্য আবরণ।
*রোমিও* ভেবেছিলে ? কোথা গ্যালো সে রুপে তেজে?
*দেব* বলো নিজেকে? এমন দেবের নমুনা লেখা আছে কোন মহাভারতে???
আত্মগ্লানির অর্থ বোঝো? অনুতাপ জানো কি? ,,,,,,,
ভয়াবহ দ্বিধা ও জ্বালা,ভয়ংকর যন্ত্রণা।
তবে কিছুদিন দ্বিধা দহনে মনের রক্ত- মাংসে আনো পরিবর্তন, আত্মশুদ্ধির প্রয়াসে নিজেকে পোড়াও,
নিজেকে জ্বালাও,
নইলে আসছে দিন, আর কিছুদিন,,,,, সারাটা জীবন,,,,,,,,,,, তোমার দহন সবে শুরু।

সিফাত হালিম, ভিয়েনা /অস্ট্রিয়া

