আওয়ামী লীগ জার্মানি শাখার উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় জেলহত্যা দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে ৩ নভেম্বর (রোববার) ফ্রাঙ্কফুর্টের স্থানীয় একটি আডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর শহীদ জাতীয় চার নেতার স্মৃতির স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। শহীদ জাতীয় চার নেতা বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, মন্ত্রিসভার সদস্য ক্যাপ্টেন (অব.) এম মনসুর আলী ও এএইচএম কামরুজ্জামানের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
জার্মানি আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম বশিরুল আলম চৌধুরী সাবুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আব্বাস আলী চৌধুরীর পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন জার্মান আওয়ামী লীগের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও উপদেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা আমিনুর রহমান খসরু, উপদেষ্টা মহসিন হায়দার মনি, উপদেষ্টা সৈয়দ আহমেদ সেলিম, সিনিয়র সহ-সভাপতি (এক) ইউনুস আলী খান, সিনিয়র সহ-সভাপতি জাহিদুল ইসলাম পুলক, সিনিয়র সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি নুরে হাসনাত শিপন, সহ-সভাপতি মায়েদুল ইসলাম তালুকদার, সহ-সভাপতি খাইরুল আলম চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাবুল মোল্লা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী আসিফ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান ভূঁইয়া, কোষাধ্যক্ষ এফএম এইচ আলী, ছাত্রলীগ নেতা জিয়াউল হক মাসুমসহ আরও অনেকে।
জার্মানি আওয়ামী লীগের নেতারা জাতীয় চার নেতার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, ‘৩ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত দিন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর জাতীয় চার নেতাকে ১৯৭৫ সালের এই দিনে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। কারাগারের অভ্যন্তরে এ ধরনের বর্বর হত্যাকাণ্ড পৃথিবীর ইতিহাসে নজিরবিহীন।’
তারা আরও বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা এই হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে আওয়ামী লীগের নাম চিরতরে মুছে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু আজকে স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি সেই ষড়যন্ত্রকারীরাই ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে।
শুদ্ধস্বর/বিটি

