প্রকাশিত নিউজের প্রতিবাদ ও তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন: ২৩’শে সেপ্টেম্বর’ ২০১৯ সাল।আপনার সম্পাদিত পত্রিকা শুদ্ধস্বর ডটকমে ছাপাকৃত একটি রিপোর্ট কানেক্ট বাংলাদেশের সকল সমন্বয়ক সদস্যদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে । ছাপাকৃত রিপোর্টটির প্রধান হেডিং ছিল” কানেক্ট বাংলাদেশ থেকে মনসুর চৌধুরী ,আলম শাহ এবং আঁখি সীমা কাউসারকে অব্যাহতি প্রদান ” বিনীতভাবে আপনার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে,কানেক্ট বাংলাদেশ’য়ের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী পরিষদ পরিকল্পনা পরিষদ ২১ সদস্য বিশিষ্ট ।সাংগঠনিক বিশৃঙ্খলা এবং সংগঠন বিরোধী কার্যকলাপের জন্য কানেক্ট বাংলাদেশ পরিকল্পনা পরিষদ তিনজন সাবেক সমন্বয়ককে কানেক্ট বাংলাদেশের সকল কার্যক্রম এবং পদ-পদবী থেকে অব্যাহতি দিয়েছে ,কেন দিয়েছে সেই নিউজটি বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ আপনার পত্রিকায় ছাপা হয়েছে।পরিকল্পনা পরিষদের ২১ জনের মধ্যে ১৬ জনের বক্তব্য কানেক্ট বাংলাদেশে’য়ের সর্বাঙ্গীন কল্যানের জন্য নিবেদিত।বাকী পাঁচজন একান্ত ব্যক্তিস্বার্থে এককভাবে কানেক্ট বাংলাদেশ’য়ের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ও পরিকল্পনা পরিষদের কারো অনুমোদন না নিয়ে ঢাকায় বিশেষ উদ্দেশ্য হাসিল আর প্রবাসীদের নাম ব্যবহার করে বিশেষ সম্মেলনের ঘোষনা দিলে আপনার বহুল প্রচারিত পত্রিকার মাধ্যমে সবকিছু প্রকাশের ব্যবস্থা গ্রহন করে।অত:পর সাংগঠনিক নিয়ম মোতাবেক পাঁচজনের তিনজনকে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষাপটে অব্যাহতি প্রদান করে। যেহেতু ইতিমধ্যেই ৫ জনের মধ্যে ৩ জন যথাক্রমে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ,আব্দুন নূর দূলাল ও লূৎফা হাসীন রোজীকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।প্রায় দেড় মাস।সুতরাং অব্যাহতি প্রাপ্ত সদস্যদের নিয়ে বাকী দুইজন যথাক্রমে শিব্বির আহমেদ তালুকদার ও শামশুল হক পাখী মিলে সংখ্যাগরিষ্ট সদস্যদের উপেক্ষা করে যে কোন ধরনের সিদ্ধান্ত আদৌ গনতান্ত্রিক বা যুক্তিযুক্ত কিংবা বৈধ কিনা তা জানার জন্য আওলিয়া হওয়ার দরকার আছে কি? শুধু তাই নয়-এ বিষয়ে কোরাম গঠনের বিষয়টি বিবেচ্য নয় কি?গনতান্ত্রিক আচরনের বিকাশ রুদ্ধ করে স্বৈরতান্ত্রিক আচরণ,ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল বা অহমিকার বহি:প্রকাশ এড়িয়ে যাওয়া যায় কি? শুধু তাই নয়-এধরনের স্পর্শকাতর বিষয়ে প্রবাসের দেশপ্রেমিক ভাইবোনদের নাম ব্যবহার করে কেনাবেচার বিষয়টি কি এড়িয়ে যাওয়ার মতো?তাই দিনের আলোর মতো পরিস্কার যে,গনতান্ত্রিক আচরনের বিপরীতে এধরনের অবৈধ কোরামবিহীন সিদ্ধান্ত অনৈতিক ও অনভিপ্রেত। শুধু তাই নয়-দুইজনের নামে অবৈধ সভার বিবরণীর কথা বলা হলেও কে কে উপস্থিত ছিলেন কিংবা পরিকল্পনা পরিষদের কাঁরা ছিলেন-তা স্পষ্ট করে বলা হয়নি।সুতরাং বিষয়টি অত্যন্ত দূরভীসন্ধমূলক ও হীনমন্য আচরনের বহি:প্রকাশ।সংগঠনের চেইন অব কমান্ড ভঙ্গ করে স্পষ্টত: নৈতিকতার সুস্পষ্ট লংঘন। অতএব সম্মানিত সম্পাদক মহোদয়, আপনার পত্রিকায় ব্যাখ্যা সহ পূর্বে প্রকাশিত অব্যাহতি প্রাপ্ত তিনজন যথাক্রমে আব্দুন নূর দুলাল (বাংলাদেশ),লুৎফা হাসিন রোজী,(আমেরিকা)এবং মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ(কুয়েত) এই তিনজন অব্যাহতি প্রাপ্ত বিধায় বাকী দুইজন সমন্বয়ক নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের আদৌ কোন নৈতিক ভিত্তি থাকতে পারে কি? তাই কানেক্ট বাংলাদেশ মনে করে এই ধরনের খামখেয়ালীপনা এবং সংগঠন বিরোধী কার্যক্রম সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক এবং সংগঠনের নিয়মনীতি ও নৈতিকতা বিরোধী। তাই আপনার প্রতি সর্ব্বোচ্চ সম্মান জানিয়ে “কানেক্ট বাংলাদেশ”আপনার পত্রিকায় প্রকাশিত মনচুর চৌধূরী,আঁখি সীমা কাউছার ও আলম শাহ’কে নিয়ে যে বিভ্রান্তিমূলক ও সম্পূর্ণ অসৌজন্যমূলক নিউজের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ এবং নিন্দা জানাচ্ছে । কানেক্ট বাংলাদেশ’য়ের পরিকল্পনা পরিষদ ও কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক পরিষদ এই সংবাদটি সম্পূর্ণ অনিয়মতান্ত্রিক এবং ডাহা মিথ্যা এবং বানোয়াট বলে মনে করে।বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে ইতিমধ্যেই আপনারা যথেষ্ট সম্মান কুড়িয়েছেন।এবং আশা করবো আগামীতেও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে শুদ্ধস্বর একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে । ধন্যবাদান্তে: কানেক্ট বাংলাদেশের পরিকল্পনা পরিষদ ও কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক সদস্যবৃন্দের পক্ষে: মোহাম্মদ ইলিয়াছ মিয়া(কানাডা) বাবুল তালুকদার(ইউ কে) হাকিকুল ইসলাম খোকন(আমেরিকা) কাজী আসাদুজ্জামান(সুইজারল্যান্ড) উল্লাহ কুদরত(সুইডেন) রহমত সাদী রমু(ফ্রান্স) সিকদার গিয়াসউদ্দিন(আমেরিকা) জাফর আজাদী(ফ্রান্স) নজরুল ইসলাম জহির(কূয়েত) নূরুল আমিন(ইউ কে) নওশাদ চৌধূরী (আমেরিকা) হারুণুর রশীদ(জার্মান) ডা: গিয়াউদ্দিন আহমেদ(ইউ কে) আলম শাহ (ইতালী) মনচুর চৌধুরী(ফ্রান্স) আঁখি সীমা কাওসার(ইতালী) আবু টি জি আহমেদ খিজির(ইউ কে) এ বি এম সালেহ (আমেরিকা) ও অন্যান্য।
সূত্র। প্রেস বিজ্ঞপ্তি ।

