সিকদার গিয়াসউদ্দিন :তথাকথিত পাকিস্তানি ভিআইপি নামধারীদের জনবিরোধী ও জনবিচ্ছিন্ন কর্মকান্ডের ফসল স্বাধীন বাংলাদেশ নয় কি!
লক্ষ মানুষ শহীদ হলেন।অসংখ্য মা-বোনের আত্মত্যাগ আর যুদ্ধ করে সকল সাধারণের মুক্তির জন্য যাঁরা দেশটাকে স্বাধীন করে দিয়ে গেলেন সেই সাধারণগন এখনও মুক্তির প্রহর গুনছে কেনো?
বঙ্গবন্ধু সহ সেইসব পবিত্র আত্মা যাঁরা না ফেরার দেশে আছেন কিংবা এখনও যাঁরা বেঁচে আছেন তাঁদের পবিত্র আত্মাকে জিজ্ঞ্যেস করুন-এসব তথাকথিত পাকিস্তানি ভিআইপি’দের জনবিরোধী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধেই সেদিন ছাত্রজনতা ১৯৭১’সাল পূর্ব সময়ে জেগে উঠেছিলো।স্বাধীনতা আন্দোলন শুরু করেছিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।যা সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে।সেই স্বাধীনতা আন্দোলন পরবর্তিতে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধে রুপান্তরের ঐসব দিনগুলো কারো মনে আছে কি!!
স্মরণ করুন ১৯৭১’সাল পূর্বে এই তথাকথিত পাকি ভিআইপি’দের জনবিরোধী কর্মের,ঔপনিবেশিক মানসিকতা,ধ্যানধারণা,আইন-কানুন ও শাসনকাঠামোর বিরুদ্ধে ছাত্রজনতার গর্জন আর গনজাগরণ!!!অত:পর দীর্ঘ নয়মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের অবসান।আমাদের দেশ আজ স্বাধীন।
সেই স্বাধীন দেশে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী ও জনগনের সেবক পরিচয়ধারী নেতা নেত্রী’রা যারা ভিআইপি বলে নিজেদেরকে আলাদা ভাবেন-বিবেকের কাছে প্রশ্ন রাখুন।দেশ স্বাধীন না হলে কোথায় থাকতেন!!!একদিন জনগন ১৯৭১’সালের মতো (তিতাসদের আত্মাসকল)গর্জে উঠবেনাতো!
লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা।কবরে বঙ্গবন্ধু সহ পবিত্র আত্মাসকল এসব ভি আই পি নামধারী জনবিরোধী ও জনবিচ্ছিন্ন শব্দটির উৎপাদনের জন্য করুণা কিংবা আক্ষেপ করছেন কি?
ভিআইপি নামক শব্দটি স্বাধীন দেশের ও জনগনের স্বার্বভৌমত্বের বাস্তবতায় কি অর্থ বহন করে?
যারা দেশবিদেশ ঘুরেন এমনকি লাল পাসপোর্ট নিয়েও।বুকে হাত দিয়ে বলুনতো-বিশ্বের অন্য কোন দেশে ভিআইপি নামক শব্দটি এত বেশী শুনতে বলতে পরিচয় দিতে রাস্তাঘাটে যত্রতত্র দেখেছেন কি!
লাস ভেগাস,আমেরিকা।
৩০’শে জুলাই,২০১৯।

