সমুদ্র যাত্রায় দীর্ঘ পথে- উত্তাল ঢেউ,
আমি সেই ঢেউয়ের সঙ্গী,
হয়তো তুমি আটাশ আমি অষ্টাদশী।
চারিদিকে সমুদ্র সফেনের বেড়াজাল,
তবু পিছু হটিনি…..।
তোমাকে যে প্রগাঢ় ভালোবাসায় বেঁধে ফেলেছি,
অগাধ সমুদ্রের পিছু নিয়ে তোমার সঙ্গী হয়েছি।
কায়া হয়ে পাশে রয়েছি টের পেতে দেইনি –
সরু গলি ও পাহাড়ের মধ্যে দিয়ে আঁকাবাঁকা রাস্তা গুলো সৌন্দর্যের ছোঁয়া!
পাশে সুসজ্জিত পার্ক ও দৃষ্টি নন্দিত বাগান,
তুমি তুষারে পা রাখলে হৃদয় হতো বরফে জমাট,
তুমি কণ্ঠে গান ধরলে হয়েছি আত্মহারা।
প্রথম দেখায় কী অবলীলায় চোখে রেখে চোখ বলে দিলে,
আমি নাকি বড্ড চেনা তোমার প্রেয়সী!
আমিই নাকি সুখের অসুখ,
তোমার আকাশে আমি ঝলমলা উজ্জ্বল তারা।
তুমি সকাল সাঁঝে এমনকি মধ্যরাতে বলতে ভালোবাসি,
এখন ভুলেও কখনো একটিবার বললে না ভালোবাসি।
ভালোবাসি ডাক শুনতে বড়োই ব্যাকুলতা!
এখন তুমি পাগলা গাছ প্রেমিক,
গাছের সাথে কথা বলো ওদের সাথেই ভাব ওঠাবসা,
গাছপালাকে বলো ভালোবাসি।
ঘরের কোনায় কোনায় প্রহরী হয়ে-
বনসাই দাঁড়িয়ে আছে নানান আদলে,
ছাদ জুড়ে বয়সী বৃক্ষের সম্ভার
অশ্বত্থের ছায়ায় হিজলের ঝিরিঝিরি বাতাস।
বনসাইয়ের ফাঁকে ফাঁকে অন্যান্য গাছ-
ছাদকে মনে হয় ক্ষুদে অরণ্য,
নিত্য কাটছাঁট করে রূপের মাধুরি ছড়িয়ে দাও
ধন্য হয় তোমার ছোঁয়ায়!
নানান ফুলের মিষ্টি সৌরভে মোহিত।
শখের বশে বনসাইয়ের প্রেমে পড়ে,
এখন মহানন্দে হাবুডুবু খাচ্ছো
ওগো আমার পাগলা গাছ প্রেমিক বন্ধু।


