মিসর : দ্য রিপাবলিক অব রিটায়ার্ড জেনারেলস

 

FB_IMG_1555553829150

অ্যাডভোকেট আনসার খান : সাংবিধানিক নাম-দ্য এ্যারাব রিপাবলিক অব ইজিপ্ট, তবে সাধারণ্যে এর নাম হলো-‘দ্য রিপাবলিক অব রিটায়ার্ড জেনারেলস’। আর ১৯৫২ সালে এটি অফিসার্স রিপাবলিক নামে পরিচিত ছিলো। 

ইজিপ্ট বা মিসর-আফ্রিকা মহাদেশের একটি রাষ্ট্র, যার গোড়া পত্তন হয়েছিলো খৃষ্টপূর্ব ৩১০০ শতাব্দীতে। বিখ্যাত নীল নদের তীরের এদেশটি দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় বহু বিচিত্র শাসকের দ্বারা শাসিত হয়েছে, স্বাধীনতা হারিয়ে বৃহৎ রাষ্ট্রগুলোর অধীনে থেকেছে শতাব্দীর পর শতাব্দীকাল ধরে।
স্বাধীনতা অর্জনের জন্য মিসরের মানুষ আন্দোলন-সংগ্রাম করেছে, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯১৯ সালে মিশরীয়রা শক্তিশালী গণবিপ্লব গড়ে তুলেছিলেন দখলকার বৃটিশ রাজ্যের বিরুদ্ধে। আর ১৯২২ সালের সফল গণবিপ্লবের মাধ্যমে দেশটি স্বাধীনতা অর্জন করে এবং প্রতিষ্ঠিত হয় সাংবিধানিক রাজতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা।
ইতোমধ্যে রাজকীয় সেনা বাহিনীর ভেতরে একটি গোপন গ্রুপ সংগঠন গড়ে ওঠে যার লক্ষ্য ছিলো মিসর থেকে রাজতান্ত্রিক শাসনের অবসানের মধ্য দিয়ে প্রজাতান্ত্রিক শাসন কায়েম করা। গোপন এ সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা মূল হোতা ছিলেন কর্নেল গামাল আবদেল নাসের। তবে আনুষ্ঠানিক প্রধান ছিলেন জেনারেল মোহাম্মদ নাগুইব। আর গোপন এ সংগঠনের নাম ছিলো-‘ফ্রি অফিসার্স গ্রুপ’।
৮৯-সদস্যের এই ফ্রি অফিসার্স গ্রুপ ১৯৫২ সালের ২৩শে জুলাই ক্ষমতাসীন রাজা ফারুককে এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করে গামাল নাসেরের নেতৃত্বে রেভ্যুলেশনারী কমান্ড কাউন্সিল মিসরের শাসন ক্ষমতা গ্রহণ করে। তবে এই কমান্ড কাউন্সিলের আনুষ্ঠানিক প্রধান ছিলেন জেনারেল মোহাম্মদ নাগুইব।
১৯৫৩ সালের ১৮ জুনে মিসরে নতুন সংবিধান প্রবর্তনের মাধ্যমে দেশটিকে ‘প্রজাতন্ত্র’ ঘোষণা করা হয় এবং জেনারেল নাগুইব দেশের প্রথম প্রজাতান্ত্রিক প্রেসিডেন্টের পদে অধিষ্ঠিত হন। তবে যেহেতু ফ্রি গ্রুপের অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং প্রতিষ্ঠিত হয় প্রজাতান্ত্রিক মিসর-সেজন্য তখনকার মিসরে এবং এমনকি বহির্বিশ্বেরও মিসর পরিচিত হয়ে ওঠে-‘অফিসার্স রিপাবলিক’ হিসেবে।
অফিসার্স রিপাবলিক হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার মধ্যেই নিহিত রয়েছে মিসরের রাষ্ট্র, রাজনীতি ও আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থাপনায় এবং পরিচালনায় দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর অপ্রতিদ্বন্দ্বি ভূমিকা ও ক্ষমতার বিষয়টি। যদিও ২০১৯ সালের এপ্রিলে সাংবিধানিক সংশোধনের মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনীর ব্যাপক ক্ষমতায়ন করা হয়েছে সংশোধিত সংবিধানে; কিন্তু দেশের এ যাবতকালের প্রণীত ন’টি সংবিধানের প্রথম ৮টি সংবিধানেই সশস্ত্র বাহিনীর ক্ষমতা সীমিত রাখা হয়েছিলো।
মিসরের প্রথম সংবিধান হিসেবে স্বীকৃত সংবিধান হলো ১৮৮২ সালের লিখিত সংবিধান। ১৮৮২ সালের সংবিধানের রাষ্ট্রে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা সম্পর্কে বলা হয়েছিলো-দেশ রক্ষা, এর নিরাপত্তা এবং অখন্ডতা বজায় রাখা। পরবর্তী ১৯২৩, ১৯৫৩, ১৯৫৮, ১৯৬৪, ১৯৭১ ২০১২ এবং ২০১৪ সালের সংবিধানগুলোতে ১৮৮২ সালের সংবিধানে সশস্ত্র বাহিনীর যে ভূমিকার কথা বলা হয়েছিলো, তা অব্যাহত ছিলো। তবে ২০১৪ সালের সংবিধানে ২০১৯ সালের এপ্রিলে যে সংশোধনী আনা হয়েছে তাতে সশস্ত্র বাহিনীকে ব্যাপকভাবে ক্ষমতায়িত করা হয়েছে, যা কোনো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের কল্পনাই করা যায় না।
২০১৯ সালের এপ্রিলে আনীত সাংবিধানিক সংশোধনীতে বর্তমান প্রেসিডেন্ট জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি-এর পদের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪০ অনুযায়ী প্রেসিডেন্টের মেয়াদ করা হয়েছে ছয় বছর। এর আগের বিধানে বলা হয়েছিলো প্রেসিডেন্টের মেয়াদ হবে চার বছর। নতুন সংশোধনীর বলে সিসি ২০৩০ সাল পর্যন্ত তাঁর পদে বহাল থাকবেন বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত। অন্যদিকে, অনুচ্ছেদ ১৮৫, ১৮৯ এবং ১৯৩ সংশোধন করে রাষ্ট্রের বিচার বিভাগের ওপর প্রেসিডেন্টের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ ও কর্তৃত্ব আরোপ করা হয়েছে। তিনি সকল প্রধান আদালতগুলোর বিচারক নিয়োগ করবেন। এই সংশোধনীর কারণে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বিপন্ন হলো বলে মন্তব্য করেছে এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
সংবিধানের সংশোধনীর উল্লেখযোগ্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই সংশোধনীর মাধ্যমে দেশের রাজনীতিতে এবং বিচার ব্যবস্থায় সশস্ত্র বাহিনীকে ব্যাপক অপ্রতিদ্বন্দ্বি ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।
অনুচ্ছেদ ২০০, সংশোধন করে বলা হয়েছে, সশস্ত্র বাহিনী দেশকে সুরক্ষা দিবে এবং দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। সশস্ত্র বাহিনীর দায়িত্ব হবে দেশের সংবিধান ও গণতন্ত্র রক্ষা করা। রাষ্ট্রের মৌলিক ভিত্তি, সিভিলিয়ান প্রকৃতি এবং জনগণের অধিকার ও ব্যক্তির স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে দেশের সশস্ত্র বাহিনী।
অনুচ্ছেদ ২০৪ সংশোধন করে সামরিক আদালতের ক্ষমতা ও পরিধি বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই আদালতগুলোতে বেসামরিক নাগরিকদেরও বিচার করা যাবে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
এসব সংশোধনীর বলে দেশে সামরিক স্বৈরতন্ত্রকে সাংবিধানিক রূপ দেওয়া হয়েছে। যদিও বলা হয় রোষানলে সিসি একটি বেসামরিক সরকারের প্রেসিডেন্ট এবং ২০১৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি ব্যাপক ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন, তা সত্ত্বেও রাজনীতি বিশ্লেষকদের অভিমত, সিসি-এর বেসামরিক সরকার ও শাসন মূলত: সামরিক শাসনেরই সম্প্রসারণ এবং তিনি তাঁর এই শাসনকে এখন সাংবিধানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করে নিলেন মাত্র। এই সংশোধনীগুলোর মাধ্যমে তিনি তার ক্ষমতাকে বৃদ্ধি ও দীর্ঘস্থায়ী করার পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীর ক্ষমতা, রাজনীতি ও আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থায় তাদের ভূমিকা ব্যাপক পরিসরে বৃদ্ধি করে এই বাহিনীর ক্ষমতাকেও সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়ে বেসামরিক ও সিভিলিয়ান সরকার ও শাসন ব্যবস্থাকে অপাক্তেয় করে দিলেন। এভাবেই ২০১১ সালের আরব বসন্ত খ্যাত গণতান্ত্রিক আন্দোলনের জনপ্রত্যাশাকে মাটি চাপা দিলেন জেনারেল সিসি।
জেনারেল সিসির কথা কেনই বা বলি, মিসরে সামরিকায়ন, সশস্ত্র বাহিনীর রাজনীতি ও প্রশাসনে এবং এমনকি অর্থনীতিতে বড় ধরনের ভূমিকা পালনের সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়া হয়েছিলো সেই পঞ্চাশের দশকে যখন ফ্রি অফিসার্স গ্রুপ রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করেছিল। যদিও তখন রাজতন্ত্র উচ্ছেদ করা হয়েছিলো এবং সাংবিধানিকভাবে মিসরকে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয়েছিলো, কিন্তু বাস্তবে প্রজাতান্ত্রিক শাসন কায়েম হয়নি, জনগণের শাসন কায়েম হয়নি মিসরে। বরং সেখানে সামরিক স্বৈরশাসনই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো এবং দেশের সশস্ত্র বাহিনী হয়ে ওঠেছিলে দেশটির একচ্ছত্র ক্ষমতার মালিক এবং এ কারণে মিসরীয় জনগণ, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমগুলো এই শাসন ব্যবস্থাকে প্রজাতান্ত্রিক বা রিপাবলিক শাসনের পরিবর্তে অফিসার্স রিপাবলিক হিসাবে আখ্যায়িত করেছিলেন।
সময়ের বিবর্তনে দেশটিতে শাসন ব্যবস্থায় অনেক বিন্যাস ঘটেছে, অনেক পরিবর্তন হয়েছে, নতুন নতুন সংবিধান প্রণীত হয়েছে, কিন্তু সামরিক বাহিনীর ক্ষমতা হ্রাস পায়নি, বরং ব্যাপকভাবে বেড়েছে ঐ অর্ধশতক সময়কালে। অন্যদিকে, জনগণের ক্ষমতার হ্রাস ঘটেছে লক্ষণীয়ভাবে। দীর্ঘ এই সময়কালে একমাত্র সামরিক ব্যক্তি হিসেবে মোহাম্মদ মুরসি ব্যতীত অপর কোনো বেসামরিক নাগরিক মিসরের প্রেসিডেন্ট হতে পারেননি। ২০১১ সালের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ফসল হিসেবে দেশটিতে প্রথম বারের মতো সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিলো এবং সে নির্বাচনে ব্যাপক ভোটে নির্বাচিত হয়েছিলেন মোহাম্মদ মুরসি।
তবে সামরিক বাহিনীর সাথে ক্ষমতার সংঘাতে ও দ্বন্দ্বে পরাজিত হয়েছিলেন মুরসি। মাত্র এক বছরের মধ্যে প্রেসিডেন্টের পদ থেকে অপসারিত ও কারাবন্দি হন মুরসি। দেশের সামরিক বাহিনীর সর্বোচ্চ সংস্থা সুপ্রীম কাউন্সিল অব দ্য আর্মড ফোর্সেস রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে নেয়।
দীর্ঘ অর্ধ শতকেরও অধিককাল সময়ে মোহাম্মদ মুরসি ব্যতীত বাকী সময়টায় মিসরের শাসন ক্ষমতা পরিচালনা করে আসছে ঐ সুপ্রীম কাউন্সিল এবং প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন বা প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্টিত হয়েছিলেন সুপ্রীম কাউন্সিলের সমর্থিত সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত জেনারেলরা। আর কালের ঐ পরিক্রমায় দেশটির নাম ‘অফিসার্স রিপাবলিক’ থেকে পরিবর্তিত হয়ে-‘রিপাবলিক অব রিটায়ার্ড জেনারেলস’ বা অবসরপ্রাপ্ত জেনারেলদের প্রজাতন্ত্র হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠেছিলো এবং এখন অবধি মিসর অবসরপ্রাপ্ত জেনারেলদের রিপাবলিক হিসেবে গণ্য হয়ে আসছে।
অতীত থেকে বর্তমান সময়কাল পর্যন্ত মিসরে প্রেসিডেন্ট ছিলেন ছয়জন। প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন জেনারেল মোহাম্মদ নাগুইব। তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করে প্রেসিডেন্ট হন কর্নেল নাসের এবং নাসের মৃত্যুবরণ করলে তাঁর স্থলাভিসিক্ত হন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা আনোয়ার সাদাত এবং আততায়ীদের হাতে সাদাত নিহত হলে সাবেক এয়ারফোর্স কমান্ডার হুসনি মোবারক প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০১১ সালের গণআন্দোলনে মোবারক পদ ছেড়ে দিতে বাধ্য হন সশস্ত্র বাহিনীর চাপে। তখন সুপ্রীম কাউন্সিলের ক্ষমতা গ্রহণ করে এবং প্রথম বারের মতো দেশটিতে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং মুরসি (একজন অসামরিক ব্যক্তি) প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। সশস্ত্র বাহিনী তাঁকে এক বছরের বেশি কাজ করতে দেয়নি। তিনি পদচ্যুত হলে আবারো সশস্ত্র বাহিনী ক্ষমতা নিয়ে নেয় এবং প্রেসিডেন্ট পদ গ্রহণ করেন জেনারেল সিসি। ২০১৩ সালের ৩ জুলাই মুরসিকে হটিয়ে সেনাবাহিনী দেশের নিয়ন্ত্রণ নেয়। এক পর্যায়ে সাধারণ নির্বাচনের নামে নাটক করে সেনাপ্রধান সিসিকে দেশের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী করা হয় এবং তিনি এখনো দেশের প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্বৈরশাসন অব্যাহত রেখেছেন।
অর্থাৎ স্বাধীনতার পরবর্তী এই ষাট বছরের অধিককাল ধরে দেশটিতে সামরিক স্বৈরতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য, প্রশাসন, আইন বিভাগ, বিচার বিভাগ, বহির্বাণিজ্য, অভ্যন্তরীন বাণিজ্য সব কিছু দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ সংস্থা-সুপ্রীম কাউন্সিল অব দ্য আর্মড ফোর্সেস এর নিয়ন্ত্রণে ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। প্রেসিডেন্টের মন্ত্রী পরিষদের প্রায় সকল মন্ত্রীই অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা। অথচ সামরিক বাহিনী সম্পর্কে কোনো কিছুই জানার সুযোগ নেই। সামরিক বাহিনীকে একটি ব্ল্যাক বাক্সের সাথে তুলনা করা হয়েছে-যেখানে সব কিছু অন্ধকার ও গোপনীয়। সেনা বাহিনীর কোনো সংবাদ কোনো মাধ্যমে প্রকাশ বা প্রচারের কোনো সুযোগ নেই। সশস্ত্র বাহিনী কারো নিকট দায়বদ্ধ বা জবাবদিহি করতে বাধ্য নহে।
আর্মড ফোর্সেস নিজেরা নিজেদের নিকট দায়বদ্ধ এবং তারাই আবার জাতীয় উন্নয়নের অভিভাবক ও চালিকা শক্তি। সশস্ত্র বাহিনীই শান্তি, স্থিতিশীলতা ও জাতীয় নিরাপত্তার প্রতীক ও অভিভাবক। এভাবেই দশকের পর দশক ধরে সশস্ত্র বাহিনী পাওয়ারফুল ভূমিকা পালন করছে দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, নিরাপত্তা ও সামাজিক ব্যবস্থায়। অথচ এখানে দেশের মালিক জনগণের কোনোই ভূমিকার স্বীকৃতি নেই। তাই মিসর হলো, রিপাবলিক অব রিটায়ার্ড জেনারেলস।

লেখক : আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষক।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.