নিউজিল্যান্ডে মসজিদে বন্দুকধারীর হামলায় হতাহত বহু মানুষ

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ এলাকার কমপক্ষে দুটি মসজিদে বন্দুকধারীর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে হতাহত হয়েছে বহু মানুষ। তবে এ সংখ্যা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার দায়ে ১ নারী সহ ৪ সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের একাউন্ট থেকে ইতিমধ্যে এ খবর নিশ্চিত করেছে নিউজিল্যান্ড পুলিশ। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
হামলার পর এর তীব্র নিন্দা জানিয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী জ্যাকিন্ডা আরডার্ন বলেন, এটি নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসে অন্যতম কালো দিন। নিশ্চিতভাবেই যা ঘটেছে তা অস্বাভাবিক ও ভয়াবহ মাত্রার অপরাধ। এই হামলার সঙ্গে কারা জড়িত তা জানা যায়নি।

এখনো হামলার দায় স্বীকার করেনি কোনো সন্ত্রাসী সংগঠন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সামরিক বাহিনীর পোষাক পরা একজন অটোমেটিক রাইফেল দিয়ে হামলা চালায়। আল নুর মসজিদে ঢুকে প্রার্থনারত মানুষদের এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়তে শুরু করে। এ ছাড়া অন্য একটি মসজিদেও হামলার ঘটনা ঘটেছে।
নিউজিল্যান্ডের পুলিশ কমিশনার মাইক বুশ রয়টার্সকে জানিয়েছেন, আমি যতদূর জেনেছি একাধিক মসজিদে হামলা হয়েছে। আপাতত সকলের মসজিদ থেকে দূরে থাকা উচিত। এর আগে পুলিশ জানিয়েছে যে, তারা ওই বন্দুকধারীকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। পুলিশ তার সর্ব শক্তি নিয়োগ করেছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে কিন্তু এখনো ঝুকিপূর্ন অবস্থা রয়েছে। স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, একজন বন্দুকধারী ক্রাইস্টচার্চের হ্যাগলি পার্ক জেলার একটি মসজিদের মধ্যে ‘ওপেন ফায়ার’ করেছে। রেডিও নিউজিল্যান্ডে একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, তিনি প্রচন্ড গুলির শব্দ শুনতে পান এবং সেখানে শুধু রক্ত ছিল। উভয় মসজিদেই এখন পুলিশ অবস্থান করছে। ইতিমধ্যে ওই এলাকার সকল স্কুল ও কাউন্সিল ভবন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ক্রাইস্টচার্চের এক এমপি অ্যামি অ্যাডামস বলেন, মসজিদে হামলার ঘটনায় আতঙ্কিত বোধ করছি। এ ধরণের ঘৃণার কোনো ব্যাখ্যা হতে পারে না।

শুদ্ধস্বর/এন.এইচ

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.