আইন প্রণেতাদের একটি দ্বিপক্ষীয় দল ওয়াশিংটনে একটি শক্তিশালী বার্তা পিঠিয়েছে যে, এ মাসেই বাংলাদেশে আগামী জাতীয় নির্বাচনের বিষয়ে বাংলাদেশের সকল নাগরিকের সমস্ত নাগরিক অধিকার ও বিশেষ করে নিরাপত্তার ব্যাপারে ওয়াশিংটন কে কড়া নজরদারি রাখা দরকার । তারা মনে করেন বা বিশ্বাস রাখেন যে, বাংলাদেশ পৃথিবীর চতুর্থতম বৃহত্ মুসলিম দেশ ।

১৯৭১ সালে যখন স্বাধীনতা লাভ করে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন এই দেশের প্রতিষ্ঠাতা ” ধর্মের স্বাধীনতা কে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেয়” বলেন লিবার্টি দক্ষিণ এশিয়ার শেথ ওল্ডমিক্সন ( Liberty South Asia’s Seth Oldmixixon). দূর্ভাগ্যবশত চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলি এই সুন্দর নীতিটিকে দূর্বল করার চেষ্টা করেছে এবং করে যাচ্ছে, একটি ধর্মনিরপেক্ষ গণতন্ত্র থেকে বাংলাদেশকে একটি মৌলবাদী গণতন্ত্রে রূপান্তরিত করতে। এইচ রেস ১১৫৬ সালের গুরুত্বপূর্ণ একটি অনুস্মারককে উপস্থাপিত করে, কংগ্রেসম্যান জিম ব্যাঙ্কস ( আর-আই) এবং কংগ্রেসম্যান তলসী গাবার্ড ( ডি-এইচআই)
দ্বারা সহ-পৃষ্ঠপোষকে বাংলাদেশের আগামী আসন্ন গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নির্বাচনে কতটুকু অংশীদারিত্ব হয়, তা একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুস্মারক হবে।
জামায়াত-ই-ইসলামের মত চরমপন্থী দলগুলোর দ্বারা পরিচালিত ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে হামলার মাধ্যমে বাংলাদেশে গত নির্বাচনে মারাত্মক ক্ষতি হয়। স্টেট ভির্পাটমেন্টের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা রির্পোটে উল্লেখ করে ( State Department ‘s International Religious Freedom Report) যে, জামায়াত-ই-ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের কর্মীরা ৫ই জানুয়ারি চট্রগ্রাম জেলায় তিনটি এলাকায় প্রায় ১৫০ টি হিন্দু ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে। সেই বছর নির্বাচনের সময় দিনাজপুর জেলায় কর্ণাই গ্রামেও হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য কাউন্সিল, (ইউএসএ) অশোক কর্মকার বলেন , ” বাংলাদেশে এই ধর্মীয়, জাতিগত ও সামাজিক সংখ্যালঘুদের জীবনযাপনের পরিমাপ ব্যবস্থা প্রতিদিন প্রতিনিয়ত হুমকি সম্মুখীন হচ্ছে”। এই পরিপ্রেক্ষীতে আমরা বাংলাদেশের সকল সংখ্যালঘুদের পক্ষে সম্মানিত উভয় কংগ্রেসম্যান মাননীয় জিম ব্যাংক ও মাননীয় মহিলা কংগ্রেস তলসী গাবার্ডের প্রতি এর সমাধানের ( fort Sponsoring the resolution) করার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।ইউএসএ এর প্রাক্তন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি লুই ব্রান্ডেসের সেই উক্তি , ” Publicity is justly commended as a remedy for social and industrial diseasea” । লিবার্টি দক্ষিণ এশিয়া বাংলাদেশের ধর্মীয় চরমপন্থার হুমকির জন্য তাদের প্রতিনিধিদের অনেক প্রয়োজনীয় মনোযোগ আকর্ষণের ক্ষেত্রে তাদের প্রতিনিধি ও ব্যাংকগুলোর এবং সাড়া বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতার সমর্থন করার জন্য আমেরিকার ঐতিহ্যের ( torchbearers for America’s) প্রশংসা করে।
সূত্র : ৩০ সে নভেম্বর, লিবার্টি সাউথ এশিয়া ।
বাংলা অনুবাদ: বুলবুল তালুকদার
সহকারী সম্পাদক, শুদ্ধস্বর ডটকম

