সোমবার (১ জুন) সকালে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে।
মার্কিন সামরিক কর্তৃপক্ষের দাবি, আন্তর্জাতিক জলপথে চলাচলকারী জাহাজ ও তাদের বাহিনীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল ড্রোন পরিচালনা ও আকাশ প্রতিরক্ষা সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো।
তবে ইরান দ্রুত পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। তেহরানের দাবি, তাদের সামরিক বাহিনী এমন একটি বিমানঘাঁটিতে সফল আঘাত হেনেছে, যেখান থেকে ইরানি ভূখণ্ডে হামলা পরিচালিত হয়েছিল। যদিও এ দাবির স্বাধীন যাচাই এখনো সম্ভব হয়নি, তবুও দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা যে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে, তা স্পষ্ট।
এদিকে একই সময়ে উপসাগরীয় অঞ্চলও নিরাপত্তা উদ্বেগের মুখে পড়েছে। কুয়েত তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করে এবং সম্ভাব্য আকাশপথের হুমকি মোকাবিলার কথা জানায়। দেশটির বিভিন্ন স্থানে সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠায় সাধারণ মানুষের মধ্যেও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।
অন্যদিকে ইসরায়েল-লেবানন সীমান্তেও উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। উত্তর ইসরায়েলের কয়েকটি এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র সতর্কসংকেত বেজে ওঠার পর দেশটির সামরিক বাহিনী হামলা প্রতিহত করার দাবি করেছে। একই সঙ্গে তারা পাল্টা অভিযানে হামলার উৎসস্থল লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার কথাও জানিয়েছে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো- একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ভৌগোলিক অঞ্চলে সংঘাতের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। হরমুজ প্রণালি, ইরান উপকূল, লেবানন সীমান্ত এবং উপসাগরীয় আকাশসীমা- সবগুলোই এখন নিরাপত্তা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

