২০২৬ সালের বিশ্বসেরা মন্ত্রীর পুরস্কার পেলেন গাম্বিয়ার আবদোলি জোবে

দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত ‘ওয়ার্ল্ড গভর্নমেন্ট সামিট’–এ ২০২৬ সালের ‘বিশ্বসেরা মন্ত্রী’ (ওয়ার্ল্ডস বেস্ট মিনিস্টার) হিসেবে গাম্বিয়ার পর্যটন ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী আবদোলি জোবেকে পুরস্কৃত করেছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী এবং দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম।

নীতিমালাকে বাস্তবে রূপ দেওয়া, উদ্ভাবন এবং দৃশ্যমান সামাজিক প্রভাব তৈরির ক্ষেত্রে অসামান্য নেতৃত্বের স্বীকৃতি হিসেবে সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত ১০ জন মন্ত্রীর মধ্য থেকে জোবেকে নির্বাচিত করা হয়।

এ পুরস্কার এমন মন্ত্রীদের দেওয়া হয়; যাঁদের উদ্যোগ নিজ দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমাদৃত হয় এবং যাঁরা উন্নত প্রযুক্তি ও ডিজিটাল সমাধানের মাধ্যমে জনসেবা বৃদ্ধিতে বিশ্বজুড়ে সরকারগুলোকে অনুপ্রাণিত করেন।

পশ্চিম আফ্রিকার ছোট দেশ গাম্বিয়া। দেশটি ‘আফ্রিকার হাস্যোজ্জ্বল উপকূল’ নামে পরিচিত। জোবের নেতৃত্বে দেশটির পর্যটন খাত ক্রমাগত বিকশিত হচ্ছে। দেশটির জিডিপিতে এ খাতের বিশাল অবদান রয়েছে এবং এটি হাজার হাজার মানুষের জীবিকার উৎস হয়ে উঠেছে।

আটলান্টিক উপকূলের স্বচ্ছ সৈকত, নয়নাভিরাম গাম্বিয়া নদী, ইকো-লজ ও বুটিক হোটেলের জন্য পরিচিত গাম্বিয়া এ অঞ্চলের সবচেয়ে নিরাপদ গন্তব্যগুলোর একটি।

জোবে জানান, পর্যটন খাতের অবকাঠামো শক্তিশালী করতে এবং বিনিয়োগকারী আকর্ষণে সরকারি নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ পুরস্কার এমন মন্ত্রীদের দেওয়া হয়; যাঁদের উদ্যোগ নিজ দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমাদৃত হয় এবং যাঁরা উন্নত প্রযুক্তি ও ডিজিটাল সমাধানের মাধ্যমে জনসেবা বৃদ্ধিতে বিশ্বজুড়ে সরকারগুলোকে অনুপ্রাণিত করেন।

গালফ নিউজকে জোবে বলেন, ‘আমরা রিসোর্ট ও হোটেলের জন্য জমি বরাদ্দ দিচ্ছি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সহায়ক নীতিমালা তৈরি করছি। আপনি যদি ভালো কাজ করেন, তবে তার স্বীকৃতি পাবেন। যে কাজ আমাদের এতদূর এনেছে, আমি তা চালিয়ে যেতে চাই।’

পুরস্কারের জন্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে সুশাসন, স্বচ্ছতা এবং জনবান্ধব নীতিমালার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিচারক প্যানেল প্রার্থীদের দক্ষতা, প্রস্তুতি, উদ্ভাবনী চিন্তা ও দূরদর্শিতা মূল্যায়ন করেছেন।

তথ্যসূত্র: গালফ নিউজ

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.