হাইম-টেক্সটাইল ২০২৬-এ বাংলাদেশের ১৪ প্রতিষ্ঠান, ইউরোপীয় বাজারে আগ্রহ আশাব্যঞ্জক

হোম ও কনট্রাক্ট টেক্সটাইল এবং টেক্সটাইল ডিজাইন খাতের বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা হাইম-টেক্সটাইল ২০২৬-এ অংশগ্রহণ করেছে বাংলাদেশের মোট ১৪টি প্রতিষ্ঠান। জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে অনুষ্ঠিত এই মেলা চলেছে ১৩ থেকে ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত।

এর মধ্যে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)-এর প্রত্যক্ষ ব্যবস্থাপনায় মানুরি টেক্সটাইল মিলস, স্টাইলাস টাওয়েলস লিমিটেড ও জানটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড মেলায় অংশগ্রহণ করে। বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো টেরি টাওয়েল, হোম টেক্সটাইলসহ বহুমুখী পণ্য প্রদর্শনের মাধ্যমে দেশের টেক্সটাইল শিল্পের মান, উদ্ভাবনী সক্ষমতা এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় শক্ত অবস্থান তুলে ধরে।

বিশ্বের ৬৬টি দেশের প্রায় ৩০০০ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান নিয়ে আয়োজিত এই মেলা বৈশ্বিক টেক্সটাইল শিল্পের ভবিষ্যৎ ধারা নির্ধারণ, নতুন বাজার সম্ভাবনা সৃষ্টি এবং উদ্ভাবনী ব্যবসায়িক ধারণা বিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

মেলায় উপস্থিত ছিলেন জার্মানিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জুলকার নাইন এবং দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সেলর চৌঃ মোঃ গোলাম রাব্বী। তাঁরা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ক্রেতা ও বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, ইউরোপীয় বাজারে বৈচিত্র্যময় পণ্যের চাহিদা ক্রমবর্ধমান এবং বিদ্যমান বাজার ধরে রাখার পাশাপাশি এ অঞ্চলে বাংলাদেশের অংশ আরও সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি কমপ্লায়েন্স নিশ্চিতকরণ এবং পণ্যের গুণগত মান ও নিরাপত্তা বজায় রেখে উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মেলায় অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো জানান, এই হোম টেক্সটাইল মেলায় অংশগ্রহণ তাদের ব্যবসায়িক সাফল্যে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে। অনেক প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ক্রেতার সঙ্গে ব্যবসায়িক বৈঠকে ব্যস্ত সময় কাটান। তবে সীমিত উৎপাদন সক্ষমতার কারণে  অনেক  প্রতিষ্ঠান ক্রেতাদের পূর্ণ চাহিদা মেটাতে পারছেন না বলেও জানা যায়।

বর্তমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশি পণ্যের প্রতি আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের এই আগ্রহকে সংশ্লিষ্টরা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক হিসেবে দেখছেন।

সূত্র:

বাংলাদেশ দূতাবাস, বার্লিন
(প্রেস বিজ্ঞপ্তি)

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.