সংস্কারের পর নির্বাচন : সারজিস

জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, “বাংলাদেশে অবশ্যই একটি যৌক্তিক সময়ে নির্বাচন হবে। তবে তার আগে, এই দেশের যে সিস্টেমগুলোকে হাসিনা ধ্বংস করে দিয়েছেন, সেই সিস্টেমগুলোর সংস্কার করতে হবে।”

 

তিনি বলেন, “আমরা জুলাই অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র দিয়েছি। সংবিধানের একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় জুলাই অভ্যুত্থানের স্বীকৃতি থাকতে হবে। সেই ঘোষণাপত্রে জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের কথা স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ থাকতে হবে।”

ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার সম্পূর্ণ বিলোপ, নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত বিনির্মাণ এবং  প্রোক্লেমেশন অফ জুলাই রেভ্যুলিউশনের জন-আকাঙ্ক্ষা অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে আয়োজিত ছাত্রসমাবেশে তিনি একথা বলেন। সোমবার (৬ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে ফরিদপুর শহরের রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, “হাসিনা আমাদের দেশের রাজনৈতিক কাঠামো ভেঙে দিয়েছেন। আমাদের দেশকে নেতৃত্ব শূন্যতার মধ্যে ফেলে দিয়েছেন। আগস্টের ৬ তারিখের পর আজ জানুয়ারির ৬ তারিখ পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান বিচার আমরা দেখতে পাইনি।”

 

তিনি আরো বলেন, “২০০৯ সালে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়নি। ২০১৪ সালের শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডের কোনো বিচার হয়নি। ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালে যেভাবে নির্বাচনে কারচুপি করা হয়েছে, সেগুলোর এখন পর্যন্ত কোনো বিচার হয়নি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অবশ্যই এই বিচারগুলো সম্পন্ন করতে হবে।”

 

কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সেল সম্পাদক জাহিদ হাসানের সঞ্চালনায় ছাত্র সমাবেশে স্বাগত বক্তব্য দেন সোহেল রানা। অন্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য দেন- হাসিব-আল ইসলাম, রিফাত রশীদ, আশরেফা, ফারহান আহসান অর্ণব, নাবিলা তালুকদার, তাহসিন হাসান দ্বীন, মাহমুদুল হাসান ওয়ালিদ, সানজিদা রহমান সমতা, জেবা তাহসিন, শাহ মো. আরাফাত প্রমুখ।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.