ফ্রান্সে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত আবুল খায়ের চৌধুরী হত্যার প্রতিবাদে ও বিচারের দাবীতে ফ্রান্সে বসবাসরত বাংলাদেশ কমিউনিটির ব্যানারে ২৫ জুন বিকাল ৩টায় বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি পালন করা হয়। মিছিলটি ষ্টালিংগার্দ থেকে শুরু হয়ে ঐতিহাসিক রিপাবলিক চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। উল্লেখ্য ২০১৯ সালে জালাল নামের এক বাংলাদেশিকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখে দুর্বৃত্তরা। ২৫ মে ২০২২ সালে ভোরবেলা কাজ থেকে বাসায় ফিরার পথে সন্ত্রাসীদের হামলায় সোহেল রানা নিহত হয়। তখন মানববন্ধন হয়েছে প্রতিবাদ হয়েছে কিন্তু এখন পর্যন্ত এই হত্যা মামলার কার্যক্রম চলছে।
এ পর্যন্ত সন্ত্রাসী হামলায় প্রচুর বাংলাদেশী প্যারিসে মারাত্মকভাবে জখম হয়েছেন, মোবাইল ও মানিব্যাগ ছিনতায়ের শিকার হয়েছেন, যা প্রবাসে এবং দেশে কমিউনিটির জন্য অনেক আতঙ্কের বিষয়। ফ্রান্স বিশ্ব মানবতার দেশ, যেখানে রয়েছে আইনের শাষন, মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার নিশ্চয়তা প্রদানের ফ্রান্স সরকার বদ্ধপরিকর। তারপর ও দুর্ঘটনা বারবার হওয়াতে আবারো বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয় প্যারিসে বসবাসরত সকল বাংলাদেশী কমিউনিটির উদ্যোগে।

এর ধারাবাহিকতায় ইপিএস কমিউনিটি ইন ফ্রান্স, বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ কমিউনিটি ফ্রান্স, অফিওরা (OFIORA) সহ বিভিন্ন বাংলাদেশি সংগঠন এই উদ্যোগের সাথে একাত্মতা পোষণ করে এবং এই আন্দোলনকে সফল করার লক্ষ্যে বিভিন্ন এলাকায় প্রচারণা চালায়। এই প্রচারণায় প্রথম থেকে আরো ছিলেন ওবায়দুল্লা কয়েস, কৌশিক রাব্বানী, এলান খান চৌধুরী, মোঃ ইব্রাহিম, এ কে এম আমানুল্লাহ রাজিব ভূঁইয়া, আজাদ আহমেদ, ফরিদ চৌধুরী, আরিফ খান রানা রাজ, সাংবাদিক মারুফ অমিত, সাংবাদিক মোসাদ্দেক হোসেন, সাইফুল, হুসাইন সালাম রহমান, সুব্রত শুভ ভট্টাচার্য, ওয়াহিদুর রহমান টিপু, এন কে নয়ন, এমডি নুর, সাংবাদিক মিজানুর রহমান, সাংবাদিক এনায়েত হোসেন সোহেল, সাংবাদিক আবু তাহির, নারী নেত্রী তৌফিকা শাহিদা, এমদাদুল হক স্বপন, আশরাফুল ইসলাম, নিয়াজউদ্দিন চৌধুরী হীরা, ফয়সাল উদ্দিন, শাহ আলম মায়া, ফেরদৌস করিম আখঞ্জি, সাংবাদিক এ এম হাশেম, সাংবাদিক নাজমুল কবির, চৌধুরী সালেহ, মনসুর আহমেদ, ওয়াদুদ খান, শাহিন আরমান চৌধুরী, তোফায়েল আহমেদ পলাশ, আবু সুফিয়ান, শাহিনুর রহমান খান, শাহেদ আহমেদ, সাংবাদিক সাবুল আহমেদ, আব্দুল কাদির, উদ্দিন তাজ, সাংবাদিক নয়ন মামুন, মোঃ রেজা, কাউসার আহমেদ, সাংবাদিক আতিক হাসান, শরিফ রহমান, সাংবাদিক লুৎফুর রহমান বাবু, মাহাবুবুল হক কয়েজ প্রমুখ।

উল্লেখ্য সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার কালারুকা ইউনিয়নের গন্ডবপুর গ্রামের আবুল খায়ের চৌধুরী প্যারিসে হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছেন। ২৩ মে থেকে নিখোঁজ ছিলেন ২৬ মে বোয়াসি রেল স্টেশনের পাশের একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। চৌধুরী আবুল খায়েরের লাশ ফ্রান্সের মর্গে রেখে আইনি প্রক্রিয়া শেষে দেশে প্রেরণ করা হয়েছে।

রাকিবুল ইসলাম , শুদ্ধস্বর ডটকমের ফ্রান্স প্রতিনিধি ।

