পরী যা মন চায় করুক, আমাদের সম্পর্ক আর টিকছে না: রাজ

ঢাকাই ছবির আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমণি তার স্বামী শরিফুল রাজের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলেছেন। সে সবের মধ্যে মূল অভিযোগ রাজ তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন, তাকে একাধিকবার মারধর করেছেন। এছাড়াও পরীমণি বলেছেন, রাজ এখন আমার প্রাক্তন। রাজকে আমি ছুটি দিলাম।

রাজকে নিয়ে গত কয়েকদিনে পরীমণির ফেসবুকে একের পর এক পোস্ট রাজকে কাঠগড়ায় দাঁড় করালেও । রাজ থেকেছেন নিশ্চুপ। এবার  রাজই মুখ খুললেন।

সমকালকে বললেন, ‘এখন চুপচাপ থাকতে চাই। আর পরীর এসব আমি আটকাতে বা থামাতেও চাই না। পরীর সব করার, বলার অধিকার আছে। পরী যা করছে বা তার মন যা  চায় করুক। হয়তো তার সে অধিকার আছে।’

 

তবে রাজ চুপ থাকলেও তাদের সম্পর্ক যে আর টিকছে না, সেটিও স্পষ্ট করেন রাজ। সম্পর্ক জোড়া লাগবে কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘না, আর হবে না।’

বছরের প্রথম দিনই ফেসবুকে রাজের বিরুদ্ধে গায়ে হাত তোলার গুরুতর অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করলে রাজ এড়িয়ে যান। বলেন, ‘আমি এখন চুপচাপ আছি। কিছু বলতে চাইছি না। এই পরিস্থিতিতে আমার এখন একা থাকা দরকার। পরে এসব ব্যাপারে কথা বলব।’

এর আগে পরীমণি যখন নানা অভিযোগ তুলে বিয়েবিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছেন, তখন ফেসবুকে ছেলের ছবি দিয়ে ছেলের জন্য শুভ কামনা জানিয়েছেন শরিফুল রাজ।

 

রাজ লিখেছেন— ‘প্রিয় পুত্র আমার, এ বছর তো অবশ্যই, সামনের সময়টাও দুর্দান্ত কাটুক তোমার। আগামী বছরগুলোতে তোমার সুস্বাস্থ্য কামনা করছি। আমার হৃদয় সবসময় তোমার জন্য ভালোবাসায় পূর্ণ। তুমি যত বড় এবং শক্তিশালী হও না কেন! তুমি কখনই তোমার প্রতি আমার ভালোবাসাকে ছাড়িয়ে যেতে পারবে না— হ্যাপি নিউ ইয়ার।’

এর আগে রাজ-পরীর সাংসারিক সংকট নিয়ে নানা তথ্য সামনে এলেও বিয়েবিচ্ছেদ নিয়ে তেমন কোনো ইঙ্গিত ছিল না। তবে ৩০ ডিসেম্বর রাত থেকে রাজ-পরী দম্পতির বিচ্ছেদের কথা ছড়াতে থাকে।

নতুন বছরের প্রথম প্রহরে রোববার ভোর ৫টার দিকে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে বিছানা-বালিশে ছোপ ছোপ রক্তের দাগওয়ালা দুটি ছবি পোস্ট করে ইংরেজি নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনের ঘোষণা দেন নায়িকা। তিনি লেখেন— ‘শুভ নববর্ষ। আগামীকাল সংবাদ সম্মেলন।’

 

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Discover more from শুদ্ধস্বর ডটকম

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading