এবার তীব্র লড়াইয়ের মধ্যেই যুদ্ধক্ষেত্রে হাজির জেলেনস্কি

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমিরি জেলেনস্কি তীব্র লড়াই অব্যাহত থাকার মধ্যেই দোনবাস সফর করেছেন। বার্তা সংস্থা এএফপি সোমবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে পূর্ব ইউক্রেনের দোনবাস অঞ্চলের সেভেরদোনেৎস্ক এবং লিসিচানস্কে রুশ বাহিনীর সঙ্গে ইউক্রেনীয় বাহিনীর তীব্র লড়াই চলছে।

এএফপি জানায়, রোববার দোনবাসের লিসিচানস্ক ফ্রন্টলাইনে হাজির হন জেলেনস্কি। সেখানে কমান্ড পোস্টে সেনাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন তিনি।

তারপর দোনেৎস্ক অঞ্চলের দক্ষিণ-পশ্চিমের বাখমুট শহরেও সেনাদের সঙ্গে দেখা করেন জেলেনস্কি। সেখান থেকে জাপরজাই শহরে মারিউপোল থেকে আসা জনতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।

সৈনিকদের জেলেনস্কি বলেন, আপনাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমাদের রক্ষা করার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ।’

স্থানীয় সময় রোববার বিকেলে ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ওদের (ইউক্রেনীয় সেনা) সঙ্গে দেখা করে, ওদের হতে হাত মিলিয়ে আমি গর্ব বোধ করছি।

মারিউপোল থেকে পালিয়ে আসা বাসিন্দাদের সঙ্গে সাক্ষাতের প্রসঙ্গে জেলেনস্কি বলেন, প্রত্যেকটি পরিবারের নিজস্ব কাহিনি রয়েছে। বেশিরভাগের সঙ্গেই কোনো পুরুষ সদস্য নেই। কারণ দুর্ভাগ্যবশত যুদ্ধের অনেক পরিবারের পুরুষদের মৃত্যু হয়েছে। অনেকেই বন্দি হয়েছেন। তবে শিশুদের জন্য বা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য আমাদের বেঁচে থাকতে হবে।

এর আগে গতমাসের শেষের দিকে প্রথমবারের মতো রাজধানী কিয়েভ ছেড়ে খারকিভে সম্মুখভাগের যোদ্ধাদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন জেলেনস্কি। ২৪ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর সেবারই প্রথম কিয়েভ ছেড়ে বের হয়েছিলেন তিনি। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমিরি জেলেনস্কি তীব্র লড়াই অব্যাহত থাকার মধ্যেই দোনবাস সফর করেছেন। বার্তা সংস্থা এএফপি সোমবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে পূর্ব ইউক্রেনের দোনবাস অঞ্চলের সেভেরদোনেৎস্ক এবং লিসিচানস্কে রুশ বাহিনীর সঙ্গে ইউক্রেনীয় বাহিনীর তীব্র লড়াই চলছে।

এএফপি জানায়, রোববার দোনবাসের লিসিচানস্ক ফ্রন্টলাইনে হাজির হন জেলেনস্কি। সেখানে কমান্ড পোস্টে সেনাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন তিনি।

তারপর দোনেৎস্ক অঞ্চলের দক্ষিণ-পশ্চিমের বাখমুট শহরেও সেনাদের সঙ্গে দেখা করেন জেলেনস্কি। সেখান থেকে জাপরজাই শহরে মারিউপোল থেকে আসা জনতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।

সৈনিকদের জেলেনস্কি বলেন, আপনাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমাদের রক্ষা করার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ।’

স্থানীয় সময় রোববার বিকেলে ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ওদের (ইউক্রেনীয় সেনা) সঙ্গে দেখা করে, ওদের হতে হাত মিলিয়ে আমি গর্ব বোধ করছি।

মারিউপোল থেকে পালিয়ে আসা বাসিন্দাদের সঙ্গে সাক্ষাতের প্রসঙ্গে জেলেনস্কি বলেন, প্রত্যেকটি পরিবারের নিজস্ব কাহিনি রয়েছে। বেশিরভাগের সঙ্গেই কোনো পুরুষ সদস্য নেই। কারণ দুর্ভাগ্যবশত যুদ্ধের অনেক পরিবারের পুরুষদের মৃত্যু হয়েছে। অনেকেই বন্দি হয়েছেন। তবে শিশুদের জন্য বা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য আমাদের বেঁচে থাকতে হবে।

এর আগে গতমাসের শেষের দিকে প্রথমবারের মতো রাজধানী কিয়েভ ছেড়ে খারকিভে সম্মুখভাগের যোদ্ধাদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন জেলেনস্কি। ২৪ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর সেবারই প্রথম কিয়েভ ছেড়ে বের হয়েছিলেন তিনি।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.