দক্ষিণ কোরিয়ায় করোনার ভয়াবহতা, গৃহবন্দী ১৭ হাজার বাংলাদেশি

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণের দিক দিয়ে চীনকেও পেছনে ফেলেছে দক্ষিণ কোরিয়া। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, চীনের বাইরে ভাইরাসটি ১৭ গুণ বেশি গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। এর প্রমাণ হচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রতি ঘণ্টায় আক্রান্ত হচ্ছে ২৫ জন। বিষয়টি উদ্বেগজনক বলে দাবি করেছে ডব্লিউএইচও। এমতাবস্থায় দেশটিতে ‘গৃহবন্দী অবস্থায়’ আছেন ১৭ হাজার বাংলাদেশি।

জানা যায়, এক সপ্তাহ আগে দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৭৬৬ জন। আর এখন তা দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৮৮ জনে। মাত্র ৮ দিনের ব্যবধানে ভাইরাসটি এত দ্রুত ছড়ানোয় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ডব্লিউএইচও। এই ৮ দিনে দেশটিতে মারা গেছে ৪১ জন। গত আটদিনে দেশটিতে ঘণ্টায় ২৫ জন করে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। যা চীনের থেকে অনেক বেশি। যদি এ রকম চলতে থাকে তাহলে দক্ষিণ কোরিয়া ভয়াবহ এক পরিস্থিতির মুখে পড়তে পারে বলে দাবি করছেন অনেক বিশ্লেষক। তারা বলছেন, দেশটিতে করোনার সংক্রমণ আরো বৃদ্ধি পেতে পারে। এদিকে, দেশটিতে ১৭ হাজার বাংলাদেশির রয়েছেন। তাদের মধ্যেও দেখা দিয়েছে আতঙ্ক। ভয়ে অনেকেই রাস্তায় বের হচ্ছেন না। সুস্থ থাকতে গৃহবন্দী অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন তারা। তবে এখন পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়ায় কোনো বাংলাদেশি আক্রান্ত হয়নি বলে নিশ্চিত করেছেন সেখানে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলাম। প্রসঙ্গত, দক্ষিণ কোরিয়ায় করোনাভাইরাসের কারণে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে দেগু শহরের বাসিন্দারা। সেখানে বাস করেন প্রায় চার হাজার বাংলাদেশি।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.