জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে ছাত্রদের মিছিলে চলল গুলি। জখম এক ছাত্র। দিনে-দুপুরে দিল্লি পুলিশের সামনে ছাত্রদের উপর গুলি চলার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সূত্রের খবর, গুলি চালানোর সময় ‘ইয়ে লো আজাদি’ (এই নে স্বাধীনতা) বলে চিৎকার করে অভিযুক্ত। আর তাতেই রহস্য আরও বেড়েছে। ঘটনাস্থল থেকে তাকে হাতেনাতে পাকড়াও করে পুলিশ। কিন্তু কেন গুলি চালানো হল, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গিয়েছে।
বৃহস্পতিবার জামিয়া কো-অর্ডিনেশন কমিটির তরফে CAA, NRC বিরোধী মিছিলের আয়োজন করেছিল। মিছিলটি জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাজঘাট পর্যন্ত যাওয়ার কথা ছিল। মিছিলের আগে থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে এক যুবককে হাতে রিভলবার নিয়ে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। গোটা ঘটনা সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায় রেকর্ডও হয়।
জামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডির ছাত্রী নৈঋতা ঘোষ জানান, “বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর ছেড়ে বেরনোর সময় ঘটনাটি ঘটে। আচমকাই এক যুবক চিৎকার করতে শুরু করে, “কারা স্বাধীনতা চাইছে? কারা NRC’র বিরোধিতা করছে?” এরপর আচমকাই বন্দুক বের করে চিৎকার করতে শুরু করে।” বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের অভিযোগ, পুলিশ কার্যত ঠুঁটো জগন্নাথ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। বন্দুক হাতে নিয়ে ঘুরতে দেখেও অভিযুক্তকে আটক করেনি বলে। এরপরই মিছিলের এক ছাত্রদের লক্ষ্য করে গুলি চালায় অভিযুক্ত। সেসময় ওই যুবক বিতর্কিত মন্তব্য করে বলেও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি। গুলিটি মাস কমিউনিকেশন বিভাগের স্নাতকোত্তরের এক ছাত্রদের হাতে লাগে। কিন্তু কেন ওই যুবক গুলি চালাল, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন? অভিযুক্ত যুবকের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। সুত্র, সংবাদ প্রতিদিন ।
শুদ্ধস্বর/এস এ কে

