রোহিঙ্গা গণহত্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাংলাদেশ কিন্তু এদেশের সরকার মিয়ানমারের বিরুদ্ধে কোনো শক্ত পদক্ষেপ নিতে পারে নি। আফ্রিকার একটি দেশ গাম্বিয়া নেদারল্যান্ডের হেগ শহরে অবস্থিত আন্তর্জাতিক আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যার জন্যে মিয়ানমারকে আসামি করে মামলা করেছে। সেই মামলার শুনানিতে অংশ নিতে সামনের সপ্তাহের ১০ ডিসেম্বর হেগে যাচ্ছেন মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির প্রধান নেত্রী অং সান সু চি।
দলটির জ্যেষ্ঠ মুখপাত্র মিও নায়ান্ত বলেন, ‘মিয়ানমারের মতের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মতের পার্থক্য রয়েছে। উত্তর রাখাইনে আসলেই কী ঘটেছে তা তিনি (সু চি) ব্যাখ্যা করবেন।’মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচার থেকে বাঁচতে ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে বিপুল পরিমাণ রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। যদিও শুরু থেকেই রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন ও গণহত্যার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে মিয়ানমার। এবারও যথারীতি নিজেদের দোষ ঢাকারই চেষ্টা করছে সু চি’র দেশ। ১০ ডিসেম্বর হেগে অনুষ্ঠিতব্য শুনানিতে সু চি ‘জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় লড়ার জন্য’ যাবেন বলে জানিয়েছে তার দফতর।
শুদ্ধস্বর/আইকে

