কাশ্মীরে সেনাবাহিনীর হাতে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন সাংবাদিকরা। সেনা সদস্যদের মারধরে গুরুতর জখম হয়েছেন এক নারীসহ ১২ সাংবাদিক। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হওয়ার পরদিনই বিক্ষোভের আশঙ্কায় পুরনো শ্রীনগরের কিছু এলাকায় এখনও সাধারণ নাগরিকদের গতিবিধিতে নিষেধাজ্ঞা বলবৎ রয়েছে। তেমনই এক এলাকায় শনিবার (২রা অক্টোবর) খবর সংগ্রহে গিয়েছিলেন সাংবাদিকরা। তারা যখন ছবি তুলছিলেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করছিলেন, তখনই সেনাবাহিনীর একদল সদস্য তাদের ঘিরে ধরে পেটাতে শুরু করেন।
নারী সাংবাদিক জেহার এবং আদিল আব্বাস, ইদ্রিস আব্বাস, মজিন মোট্টুসহ অন্য সাংবাদিকরা মারধরে জখম হন। তবে প্রশাসন এ নিয়ে এখনও মুখ খোলেনি। গত বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) আনুষ্ঠানিকভাবে আলাদা হয়ে যায় জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ। বিশেষ মর্যাদা হারিয়ে জম্মু-কাশ্মীর রাজ্য পরিণত হল দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। এর ফলে ভারতে রাজ্যের সংখ্যা একটি কমে ২৮ ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সংখ্যা দুটি বেড়ে ৯টিতে দাঁড়াল। ভারত সরকার জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা রদ করে সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ ও ৩৫-এ ধারা বাতিলের প্রায় তিন মাস পর ৩১ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে তা কার্যকর হল।
শুদ্ধস্বর/আইকে

