দিন কাটে আলস্য ক্লান্তি ও আনন্দেই,
ভোরের রোদের আলো পিঠ পেতে শুষে নেই
তৃষিত মরুর বালু যে রকম শুষে নেয় পানি,
দিনের প্রথম প্রহর কি করে কাটাতে হয় আমি জানি।
পোষা কবুতরগুলো উড়ে যেতে যেতে
বাতাসের ঢেউয়ের সাথে হুলস্থুল লুটোপুটি খায়
কাচ-স্বচ্ছ রৌদ্রভরা নীল আকাশের গায়।
রোদের সঙ্গে তারা হোঁচট খেয়ে বারবার
ফিরে এসে বাগানের ডালে বসে গান গায়,
পুনশ্চ প্রভাতের উজ্জ্বল আলোর গভিরে উড়ে যায়।
গুলি হওয়া ছত্রভঙ্গ মিছিলের মতো ডানা ঝটপট করে
শুধু ছটফট করে শুধু ছটফট করে
রক্তের ফোঁটার মতো ঝরে পড়ে আসমান থেকে
কালো পিচ আর সবুজ ঘাসের উপরে।
টেবিলে ছড়ানো এলোমেলো খবর কাগজ প্র
থম আলো ডেইলি স্টার
ব্রেকফাস্টের আগে দিনের প্রথম খাদ্য আমার।
ডিম পোচে টোস্টের কোণা গুঁজে দিলে
বের হয়ে আসে নম্র সোনালী কুসুম,
ওরা বলে, সানী সাইড আপ।
আরামে কেটেছে গত রাত
আর সব মোলায়েম রাতের মতন।
চোখভরা স্বস্তি আর নিশ্চিন্ত গভির ঘুম
দিগন্তে নতুন সূর্য
টেবিলে অপেক্ষমাণ এক জোড়া হলুদ কুসুম
ধূমায়িত চায়ের ইপ্সিত পেয়ালায়
সব কিছু মিলেমিশে একাকার-
এ জীবনে আর কী দরকার!

শামসুদ্দিন পেয়রা

