বিদ্রোহ কেঁদে চলে—–এস.আই.তানভী

অনেক বিদ্রোহের ইস্যু কেঁদে কেঁদে মরে,

পাপ পুণ্য চলে একে অন্যের হাত ধরে,

আর্তচিৎকারে মরে অসহায়ের দল,

দিনে দিনে লুটেরা হয় আরো সবল!

 

কৃষকের চোখের জলে প্লাবিত ফসলের ক্ষেত

রাজ সভার চেলাচামুণ্ডার সব ঝলমলে পকেট।

 

কালো কে সাদা আর সাদা কে করে কালো

জ্বালানো হয় রোজ প্রিয় স্বাধীনতার আলো,

জেল জুলুমের ভয়ে জড়সড় প্রত্যেক জন

আজ আইন; ঐ যে বর্ণাঢ্যদের পুষ্পকানন।।

 

ঐ পুঁজিপতিদের কাছে শ্রমিকের শত বকেয়া

প্রতিবাদে নেমে আসে শোকের কালো ছায়া।

 

পেট চেপে পথ হাঁটে কত শত অসুখীর প্রাণ

রাজ মহল থেকে ভেসে আসে সুখের কলতান,

রাজ কর্মচারীর উপরি আয়ের কত রাস্তা খোলা

বৃহৎ জনগোষ্ঠীর চোখে শুধু অন্ধকারের খেলা।

 

শিক্ষাঙ্গনে ত্রাস, প্রশ্নপত্রের ফাঁস, রাজনীতিতে দলাদলি

রোজ কত প্রাণ অকালে হায়; হচ্ছে অকারণে শুধু বলি!

 

স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, অফিস কিংবা আইন-আদালত

সবখানে আজ অনিয়ম, আজ সর্বত্র অনিয়মই  বলবৎ।

আরো কত প্রতিবাদের ইস্যু জমা প্রত্যেক ঘরে ঘরে

প্রতিবাদের গান সর্বত্র জাগে না বলে বুভুক্ষু মানুষ কেঁদে মরে।

 

এতো কান্না চারিদিকে তবু হয় না জোরালো কোন প্রতিবাদ-

আজও যে হয় নি তোমার পরে কোন বিদ্রোহী কবির আবির্ভাব।

 

সব কবি আজ একাকার লোভ-স্বার্থ আর রাজনীতিতে

দলিয়ো করণের প্রভাব দেখি প্রত্যেক কবিতার বাহুতে,

আমি অ-কবি বসে ভাবি, ওহে বিদ্রোহী কবি তোমার কথা-

কেন তারার দেশ হতে ছুড়ে দাও না নতুন কোন বিদ্রোহী কবিতা?

 

যদি তোমার মতো কেউ লিখতো একটা বিদ্রোহের কবিতা

তবে দেশ হতে দূর হতো অন্যায়-অবিচার, হাহাকারের সবিতা।।

20190412_074204

 

 

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.