সামনেই একাদশ জাতীয় নির্বাচন। সব দলের মনোনয়ন পত্র তোলাও শেষ। এখন শুধু বাকি আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রার্থী ঘোষনার। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগ এর পাশাপাশি অন্যান্য দলগুলোও প্রস্তুত নির্বাচনের জন্য। দলীয় নিবন্ধন হারানো স্বাধীনতার বিপক্ষের অপশক্তি জামা’আতে ইসলামও ধানের শীষে ভর দিয়ে অংশ নিচ্ছে নির্বাচনে। তাদের টার্গেট রাজধানী ঢাকা সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন কিছু এলাকা। প্রথম দিকে দেশের অন্যান্য এলাকা থেকে মনোনয়ন পত্র নিলেও পরে অনেকেই রাজধানীর বিভিন্ন আসনে মনোনয়ন পত্র তোলেন। তাহলে কি জামা’আতের কোন খারাপ অভিসন্ধি আছে? জামা’আতের সেক্রেটারি শফিকুর রহমান প্রথমে সিলেট সদর থেকে মনোনয়ন পত্র তুললেও বর্তমানে তিনি ঢাকা ১৫ আসনে মনোনয়ন পত্র নিয়েছেন। অভিযোগ আছে স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতারাই জামা’আত কে পৃষ্ঠপোষকতা করছে। আয়ূর্বেদী মেডিকেল কলেজ শাখা শিবিরের সভাপতি অনাদী সুমন কে গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চুর সুপারিশে প্রথমে ওই কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ও ছাত্র সংসদের ভিপি বানানো হয় পরবর্তী তে ২০১১ সালে ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগ উত্তরের সভাপতি করা হয়েছিল। টিভি স্ক্রুলে নাম আসার পর অবশ্য সাবেক ছাত্রনেতাদের হস্তক্ষেপের কারণে তাকে বাদ দেয়া হয়। এ ছাড়াও ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তর সভাপতি মাইনুল হাসান খাঁন নিখিলের সাথেও জামা’আত সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ পাওয়া যায়। তিনি জামা’আতের সাবেক নেতা মীর কাশিম আলীর ঘনিষ্টজন বলে পরিচিত ছিলেন। মিরপুর থানাধীন মনিপুর মোল্লা পাড়ায় দীর্ঘদিন ধরে তিনি মীর কাশিম আলীর পরিবারের সাথে পাশাপাশি বাস করেন। এবং তাদের অর্থায়নে তিনি ব্যবসা বানিজ্য করেন বলে জনশ্রুতি আছে। এছাড়াও শোনা যায় বর্তমান এমপি কামাল আহমেদ মজুমদারের মালিকানাধীন টিভি চ্যানেল মোহনা টেলিভিশন এ মীর কাশিম আলীর পরিবারে পার্টনারশিপ ছিল বা আছে। আরো বিভিন্ন আ’লীগ নেতাদের সাথে বিভিন্ন সময়ে জামা’আত সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

