পোস্টে তাসনিম জারা লেখেন, কোনো মাইকিং বা পূর্বঘোষণা ছাড়াই রাজধানীর মেরাদিয়া এলাকায় শত শত মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি তাকে আবেগাপ্লুত করেছে। জনসমর্থন দেখে তার দায়িত্ববোধ আরও বেড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ সমর্থনই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ১২ তারিখে “অভাবনীয় কিছু” ঘটতে পারে। প্রত্যাশার চেয়ে বেশি মানুষের উপস্থিতির কারণে প্রচারস্থলে পৌঁছাতে দেরি হচ্ছে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে শুক্রবার বিকেলে মুগদায় নির্বাচনি প্রচারের কর্মসূচির কথাও উল্লেখ করেন।
এর আগে এক ফেসবুক পোস্টে ভোটারদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে সাধারণ মানুষ নিজ নিজ এলাকায় নিরাপদে ও সম্মানের সঙ্গে চলাচল করতে পারবেন। মাঠের রাজনীতিতে পেশিশক্তির বদলে তথ্যের শক্তিকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে সবসময় শক্তি প্রদর্শনের প্রয়োজন হয় না; বরং অন্যায়ের ‘রাজনৈতিক মূল্য’ বাড়িয়ে দেওয়াই কার্যকর কৌশল।
ডা. তাসনিম জারা দাবি করেন, অন্যায়ের ঘটনাগুলো প্রমাণসহ জনসমক্ষে তুলে ধরলে রাজনৈতিক দলগুলো জনমতের চাপে ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়। তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ ও দ্রুত জনসমক্ষে তুলে ধরার সক্ষমতার কথাও তুলে ধরেন তিনি। ঢাকা-৯ আসনের ভোটারদের অধিকার রক্ষায় শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই স্বতন্ত্র প্রার্থী।

