জাতিসংঘের অধীনে শরিফ ওসমান হাদি হত্যার তদন্ত ও হত্যার ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে আন্দোলন করছে ইনকিলাব মঞ্চ। আজ শুক্রবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ও শাহবাগ মোড়ে পুলিশের সঙ্গে তাদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে অনেকে নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ার শঙ্কা করলেও ইনকিলাব মঞ্চ জানিয়েছে, নির্বাচন ১২ তারিখেই হবে।
আজ রাত ৮টা ৯ মিনিটে ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজ থেকে এ-সংক্রান্ত পোস্ট দেওয়া হয়েছে। পোস্টে বলা হয়, ‘নির্বাচন ১২ তারিখেই (১২ ফেব্রুয়ারি) হবে। নির্বাচন হতেই হবে। কোনোভাবেই নির্বাচন বানচাল করতে দেওয়া হবে না।’
এরপর রাত ৯টার পর দেওয়া অপর পোস্টে সংগঠনটি লেখে, ‘লীগ এক্টিভ হয়েছে। তারা সাধারণ জনতার সাথে মিশে পরিস্থিতি অন্য দিকে প্রবাহের চেষ্টা করছে।শহিদ ওসমান হাদির হত্যার বিচার এবং নির্বাচন বানচালের চেষ্টা চলছে। আপনাদের সবাইকে নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।’
এর আগে, আজ দুপুরের পর শরিফ ওসমান হাদি হত্যার তদন্ত ও হত্যার ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে যাত্রা শুরু করেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা। এ সময় আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে।
হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে অবস্থান নিয়ে যমুনা অভিমুখে যাত্রার ঘোষণা দেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা। পরে বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় থেকে যমুনা অভিমুখে রওনা করেন নেতাকর্মীরা। আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগোতে চাইলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এ সময় আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে। ছত্রভঙ্গ হয়ে তারা বাংলামোটর মোড়ে অবস্থানের চেষ্টা করলে সেখানেও পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।
এ সংঘর্ষে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হয় বলে দাবি করা হয়। এ ছাড়া এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।

