বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) থেকে সন্ত্রাস বিরোধী রাজু স্মারক ভাস্কর্য পাদদেশে অনশন শুরু করেছেন তাঁরা।
অনশনে বসা দুই শিক্ষার্থীর একজন ঢাবির ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র ও ফজলুল হক মুসলিম হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মো. ওমর ফারুক। অপরজন দর্শন বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও সূর্যসেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মো. আবু সাঈদ।
ওমর ফারুক বলেন, ‘আওয়ামী লীগ বিগত ১৬ বছর ধরে হত্যা, মামলা, গুম-খুন করেছে। ১৬ বছর কোনো ধরনের বিচার হয়নি। মূলত স্বৈরাচার শেখ হাসিনা বিচারব্যবস্থাকে ধ্বংস করে ফেলেছেন।
তিনি আরো বলেন, ‘কিছুদিন পর পর কয়েকজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। আবার ১৫-২০ দিন যেতেই জামিন পেয়ে যায়।
শিক্ষার্থী মো. আবু সাঈদ বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ প্রায় ২ হাজার মানুষকে হত্যা করেছে। নির্মম সেই হত্যাকাণ্ডের দায়ে তাদের বিচার করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘সিরিয়াতে যেমন আসাদের দলকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, বাংলাদেশেও গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে।’
অনশনে বসা শিক্ষার্থীদের সঙ্গ দিচ্ছে সহপাঠী ও বন্ধুরা। তাঁরা জানান, ২৪ ঘণ্টা অনশনে থাকায় ইতিমধ্যে দুই শিক্ষার্থী শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছেন। রোদের তীব্রতা বাড়ায় কষ্ট আরো বেড়েছে। এখন পর্যন্ত কেবল বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর একবার দেখে গেছেন। দেশের আর কোনো কর্তৃপক্ষ এখনো তাঁদের খোঁজ নেয়নি।

