হিরো আলমকে পচা আলম বললেন আইনজীবী সবুজ খান। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর বিরুদ্ধে ৫০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করায় আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলমকে তিনি এ নামে ডাকার আহ্বান জানিয়ে প্রতিবাদ করেন।
আজ সোমবার দুপুর ১২টায় ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলামের আদালতে আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম একটি মানহানির মামলা করেন।
এর প্রতিবাদের হাতে একটি প্লাকার্ড নিয়ে আইনজীবী সবুজ খান আদালত প্রঙ্গনে দাঁড়ান। তার প্লাকার্ডে লেখা ছিল, ‘রুচির দুর্ভিক্ষে বাংলাদেশ। হিরো নয় পচা আলম। তার নামের পাশে হিরো বাদ দেওয়ার জোর দবি’। সবুজ খান ঢাকা বারের জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য।
এ সময় গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘সে আসলে হিরো নয়, তাকে কখনও বলে বস্তির আলম, কখনও বলে টোকাই আলম, কখনও বলে পচা আলম। এজন্য তার নাম থেকে স্বঘোষিত হিরো বাদ দেওয়ার জন্য আমি জোর দাবি জানাচ্ছি। এই হিরো আলম বর্তমানে সরকারের এজেন্ট হিসেবে কাজ করছে। এর কারণ হলো বিএনপি যখন নির্বাচনে যায় না, সেই শূণ্য আসনে হিরো আলম নির্বাচনে দাঁড়ায়। কেন হিরো আলম দাঁড়াবে? এ দেশে কি যোগ্য লোকের অভাব আছে? তিনি কেন দাঁড়য়, কারণ রুচির দুর্ভিক্ষে হিরো আলম।’
আইনজীবী সবুজ খান আরও বলেন, ‘মিডিয়ায় আলোচনায় থাকার জন্য সে নির্বাচনে দাঁড়ায়। এখন সে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর বিরুদ্ধে ৫০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেছে। আমাকে দল থেকে বলেছি, আমি নিজ উদ্যোগে এখানে প্রতিবাদ করছি। কারণ কাক যতই সুন্দর ভাবে সাজুক না কেন সে কাকই থাকে।’
প্রসঙ্গত, হিরো আলম এজলাস থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আপনারা সবাই জানেন গত কয়েকদিন ধরে বিএনপির সিনিয়র নেতারাসহ অন্যান্য নেতারা বিভিন্ন সময়ে গালিগালাজ করে এবং ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করে আমাকে নিয়ে কটূক্তি করেছে। আমার কথা হলো আমাকে সম্মান দিয়ে কথা না বললে আমার নামটা মুখে নেবেন না। আমাকে নিয়ে কথা বলার কোনো দরকার নেই। তাই আমি বিজ্ঞ আদালতকে বলেছি মানুষ ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। মানুষ বলতেই ভুল হয়। তাই আমি এ মামলা করতে চাই না। তাকে (রিজভী) ক্ষমা করে দিতে বলেছি।’
তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে কোনো বিএনপি নেতা কিংবা আওয়ামী লীগ নেতা বা যে কেউ যেন আমাকে নিয়ে এরকম ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করে কথা না বলে সে বিষয়ে সতর্ক করে দিতে আমি আদালতকে অনুরোধ করেছি।’

