স্পিনারদের নো বল করা ক্রাইম: সাকিব 

হাতের মুঠোয় থাকা জয় যেন নিজেরাই শ্রীলঙ্কাকে উপহার দিলেন। স্কোরবোর্ডে চ্যালেঞ্জিং পুঁজি থাকার পরও ক্যাচ মিস আর নো-ওয়াইডের মহড়ার খেসারত দিতে হলো হারে।

এশিয়া কাপের দ্বিতীয় ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে আগে ব্যাটিং করে ১৮৪ রানের লক্ষ্য দেয় বাংলাদেশ। রান তাড়া করতে নেমে ৪ বল হাতে রেখে দুই উইকেটে জয় নিশ্চিত করে শ্রীলঙ্কা। বিদায় ঘণ্টা বাজে বাংলাদেশের আর শ্রীলঙ্কা নাম লেখায় সুপার ফোরে।

এই ম্যাচে গুণে গুণে ৮টি ওয়াইড ও ৪টি নো বল দেয় বাংলাদেশ। তার মানে বাড়তি ১২ বল করা লেগেছে। হিসাব অনুযায়ী পাক্কা ২ ওভার! ইবাদত ৬টি ওয়াইডের পাশাপাশি দিয়েছেন ২টি নো বল।

আর বাকি ২টি নো বল দেন স্পিনার শেখ মেহেদী হাসান। তার মধ্যে একটিতে কুশল মেন্ডিস ২৯ রানে আউট হন, নো বল হওয়ায় জীবন পান। শেষ পর্যন্ত যিনি আউট হন ৬০ রান করে। আর শেষ ওভারে শ্রীলঙ্কার জয়সূচক রানটি আসে মেহেদীর নো বল থেকে।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হারের পর নো বল নিয়ে  সাকিব আল হাসান বলেন, ‘কোনও অধিনায়কই চায় না, নো বল হোক। স্পিনাররা নো বল করলে তো সেটা ক্রাইম। অনেক নো আর ওয়াইড করেছি, যেটি ডিসিপ্লিনড বোলিং নয়। এগুলো চাপের ম্যাচ, এখান থেকে শেখার আছে অনেক কিছু। সামনে এগোতে হবে।’

ইবাদত প্রথম ২ ওভারে ১৩ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। পরের ২ ওভারে দেন ২২ ও ১৭ রান করে। তাকে নিয়ে প্রশ্ন করলে ইবাদতের পাশেই দাড়ান সাকিব।

তিনি বলেন, ‘এমন চাপের ম্যাচ এর আগে খেলেনি। অভিষেক গলো, টেস্ট খেলেছে, ওয়ানডে একটি-দুটি খেলেছে। কিন্তু এমন চাপের পরিস্থিতিতে প্রথম ছিল। অনেক কিছু শেখার আছে। প্রথম ২ ওভারে যেভাবে খেলেছে, আমাদের ম্যাচে রেখেছিল। আমরা ভেবেছিলাম ওই আমাদের ম্যাচে সেরা বোলার হবে। প্রত্যাশা করাই যায়, ছন্দ ভালো থাকবে, ইতিবাচক থাকবে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে হয়নি। তবে আমার ধারণা অনেক কিছু শিখতে পারবে সে।’

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.