জীবনবোধ থেকেঃ পর্ব ৭৫

(দুই শত নব্বই)

রহস্যময়তা জানার আগ্রহকে ও জ্ঞানের পরিধিকে  বাড়িয়ে দেয়। তবে এজন্য অতি প্রয়োজন হলো ধৈর্য, একাগ্রতা ও মাত্রাগত  জ্ঞান।

(দুই শত একানব্বই)

জ্ঞান কি এ নিয়ে বিভিন্ন ধর্ম শাস্ত্রে ও দর্শনের জ্ঞানতত্ব শাখায় বিস্তর আলোচনা, মতবাদ ও বিতর্ক রয়েছ। সাদামাটাভাবে বলা যায় জ্ঞান হলো কোন কিছুর সাথে পরিচিত হওয়া, জানা, বুঝা এবং উপলব্ধি করা। এ জানা, বুঝা ও উপলব্ধি  করা যতো ব্যাপক ও গভীর হবে জ্ঞানও ততো ব্যাপক, গভীর হবে গুনগত ও পরিমানগতভাবে।একারনেই জ্ঞানীদেরও স্তর ও সীমাভিত্তিক বিভাজন রয়েছে।

জ্ঞান কোন বিশেষ শাখায় আবদ্ধ নয় বরং জীবন ও জীবনের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত প্রকৃতি, মহাবিশ্ব এবং সৃষ্টি কর্তা ইত্যাদি সকল শাখাতেই  এর ব্যাপ্তি রয়েছে। সে কারনেই বিজ্ঞান, কারিগরি, প্রকৌশল, সমাজবিজ্ঞান ও মানব তত্ব ও ধর্ম সর্বত্রই জ্ঞানী- গুনীজনের অবস্থান সর্বজন স্বীকৃত।

( দুই শত বিরানব্বই)

স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ পঞ্চাশ বছরে পা রাখলেও নেতৃত্ব ও ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এখনো কর্পোরেট সংস্কৃতি গড়ে তুলতে পারে নি। সরকারী পর্যায়ে এর চলমানতা থাকলেও বেসরকারি পর্যায়ের অবস্থা একেবারেই  নাজুক।

( দুই শত তিরানব্বই)

সংকট যখন সৃষ্টি ও ঘনীভূত  হয় প্রথমেই নিজেকে প্রশ্ন করতে হবে নিজের ভুলটা কোথায়।

চলবে—

 

ডক্টর সিনহা এম এ সাঈদ 

লেখক, গবেষক ও পাবলিক 

স্পীকার 

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.