(দুই শত নব্বই)
রহস্যময়তা জানার আগ্রহকে ও জ্ঞানের পরিধিকে বাড়িয়ে দেয়। তবে এজন্য অতি প্রয়োজন হলো ধৈর্য, একাগ্রতা ও মাত্রাগত জ্ঞান।
(দুই শত একানব্বই)
জ্ঞান কি এ নিয়ে বিভিন্ন ধর্ম শাস্ত্রে ও দর্শনের জ্ঞানতত্ব শাখায় বিস্তর আলোচনা, মতবাদ ও বিতর্ক রয়েছ। সাদামাটাভাবে বলা যায় জ্ঞান হলো কোন কিছুর সাথে পরিচিত হওয়া, জানা, বুঝা এবং উপলব্ধি করা। এ জানা, বুঝা ও উপলব্ধি করা যতো ব্যাপক ও গভীর হবে জ্ঞানও ততো ব্যাপক, গভীর হবে গুনগত ও পরিমানগতভাবে।একারনেই জ্ঞানীদেরও স্তর ও সীমাভিত্তিক বিভাজন রয়েছে।
জ্ঞান কোন বিশেষ শাখায় আবদ্ধ নয় বরং জীবন ও জীবনের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত প্রকৃতি, মহাবিশ্ব এবং সৃষ্টি কর্তা ইত্যাদি সকল শাখাতেই এর ব্যাপ্তি রয়েছে। সে কারনেই বিজ্ঞান, কারিগরি, প্রকৌশল, সমাজবিজ্ঞান ও মানব তত্ব ও ধর্ম সর্বত্রই জ্ঞানী- গুনীজনের অবস্থান সর্বজন স্বীকৃত।
( দুই শত বিরানব্বই)
স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ পঞ্চাশ বছরে পা রাখলেও নেতৃত্ব ও ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এখনো কর্পোরেট সংস্কৃতি গড়ে তুলতে পারে নি। সরকারী পর্যায়ে এর চলমানতা থাকলেও বেসরকারি পর্যায়ের অবস্থা একেবারেই নাজুক।
( দুই শত তিরানব্বই)
সংকট যখন সৃষ্টি ও ঘনীভূত হয় প্রথমেই নিজেকে প্রশ্ন করতে হবে নিজের ভুলটা কোথায়।
চলবে—

ডক্টর সিনহা এম এ সাঈদ
লেখক, গবেষক ও পাবলিক
স্পীকার

