শাজাহান খানের মেয়ের করোনা রিপোর্ট নিয়ে যা বললেন ল্যাব পরিচালক

সাবেক নৌ পরিবহনমন্ত্রী, মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শাহাজান খানের মেয়ে ঐশী খানকে ডাটা এন্ট্রি অপারেটরের ভুলের কারণে করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট দেয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন অ্যান্ড রেফারেল সেন্টারের পরিচালক।

সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি ভুলের দায় স্বীকার করে ক্ষমা চান।

এর আগে কোভিড টেস্টের রিপোর্ট সম্পর্কে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেন সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শাজাহান খান।

সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শাজাহান খানের মেয়ে ঐশী খান করোনা পজিটিভ থাকা অবস্থায় করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট নিয়ে বিদেশ যাওয়া নিয়ে তৈরি হয় তোলপাড়। তবে ঐশী খানকে যে নেগেটিভ রিপোর্ট দেয়া হয়েছিল সেটি ভুল রিপোর্ট ছিল বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

দুপুরে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন অ্যান্ড রেফারেল সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ভুল রিপোর্টের বিষয়ে দু:খ প্রকাশ করেন। বলেন, ডাটা এন্ট্রি অপারেটরের ভুলের কারণে এ সমস্যা দেখা দিয়েছে।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন অ্যান্ড রেফারেল সেন্টারের পরিচালক প্রফেসর আবুল খায়ের বলেন, প্রথম যে রিপোর্ট দেয়া হয় সেটা নেগেটিভ আসে। কিন্তু পরবর্তীতে সামগ্রিক কাজে দেখা যায় রিপোর্টটি আসলে পজেটিভ। এরজন্যে তাকে হেনস্থা হতে হয়েছে। আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি।

এর আগে করোনা টেস্টের এমন ভুল রিপোর্টের বিষয়ে স্বাস্থ্যঅধিদপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেন সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শাজাহান খানের মেয়ে ঐশী খান। এসময় দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান শাহজাহান খান।

স্বাস্থ্যঅধিদপ্তরে অভিযোগপত্রে ঐশী খান জানান, পড়া লেখার জন্য ইংল্যান্ডে যাওয়ার প্রস্তুতি হিসেবে গত ২৪ জুলাই নিজের করোনা টেস্টের জন্য নমুনা দেয়ার পরদিন রিপোর্টে করোনা নেগেটিভ আসে। ফলে ২৬ জুলাই লন্ডনের উদ্দেশে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যান তিনি। তবে সার্ভারে তার করোনা পজেটিভ রিপোর্ট পাওয়ায় তাকে বিমানবন্দর থেকে ফিরিয়ে দেয়া হয়। পরবর্তিতে যেটি করোনা পজেটিভ হিসেবেই ধরা পড়ে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.