মানব পাচার ও মানি লন্ডারিংয়ের দায়ে কুয়েতে আটক বাংলাদেশের এমপি কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলকে রিমান্ডে নিয়েছে সিআইডি। কুয়েতের রেসিডেন্স ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি) এর আবেদনের প্রক্ষিতে আদালত রিমান্ডের আদেশ দেন। আরব টাইমসের রিপোর্টে রিমাণ্ডের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, গ্রেপ্তারের কয়েক ঘন্টা পর স্থানীয় ফারওয়ানিয়া হাসপাতালে সিআইডি নিয়েছিল তাকে। তবে ঠিক কি কারণে হাসপাতালে, এটা কোভিড-১৯ এর রুটিন পরীক্ষা-নিরীক্ষা নাকি আঘাতজনিত কিছুর চিকিৎসা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
দূতাবাসের তরফে এমপির অবস্থান বিষয়ে ঢাকাকে না-কি কেনো তথ্যই দেয়া হচ্ছে না এমন দাবি সেগুনবাগিচার। বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের চেয়ারম্যানশিপের দায়িত্ব গ্রহণ বিষয়ক এক ভার্চুয়াল বৈঠকের সমাপনীতে অনুষ্ঠিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি এখনও কুয়েতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে অফিসিয়ালি কিছু জানানো হয়নি বলে দাবি করেন।
তবে মন্ত্রী অন্য একটি সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে আলাপে বলেছেন, পাপুল চাইলে বাংলাদেশ সরকার তাকে আইনগত সহায়তা ‘কনস্যুলার একসেস’ দিবে। ড. মোমেন বলেন, বাংলাদেশের যে কোন নাগরিক পৃথিবীর যে কোনও দেশে সমস্যায় পড়লে তাকে কনস্যুলার একসেস বা আইনী সহায়তা দেয়া হয়। উনিও (কাজী পাপুল) চাইলে নাগরিক হিসেবে এই সুবিধা পাবেন।
দূতাবাস তার অবস্থান জানতে কুয়েত সরকারের কাছে চিঠি পাঠানোসহ এ নিয়ে কাজ করছে বলে দাবি করেন তিনি।
উল্লেখ্য কুয়েত রেসিডেন্স ইনভেস্টিগেশন বিভাগ শনিবার রাতে মুশরেফ এলাকা থেকে লক্ষ্মীপুর-২ আসনের এমপি পাপুলকে আটক করে। রোববার ৩০০০ দিনার তাকে দিয়েছেন এমন ৫ প্রবাসী শ্রমিকের সাক্ষ্যগ্রহণের পর পাপুলের জামিন আবেদন নাকচ করে আদালত জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেন।

