বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার ঘটনার তদন্তে আরও কঠোর সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য৷ স্বরাষ্ট্রসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি তৈরি করে দিল নবান্ন৷ স্বরাষ্ট্রসচিবের পাশাপাশি কমিটিতে রয়েছেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার, কলকাতা পুলিশের নগরপাল অনুজ শর্মা, কলকাতা পুলিশের ইনস্পেক্টর কৌশিক দাস এবং বিদ্যাসাগর কলেজের অধ্যক্ষ। সোমবার নিজেই একথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তিনি জানান, গোটা ঘটনার নেপথ্যে কে বা কারা ছিল, এর উদ্দেশ্য কী ছিল, তার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট নবান্নে জমা দিতে হবে কমিটিকে। ইতিমধ্যেই মূর্তি ভাঙার ঘটনায় দুজনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। ৩৫ জনকে গ্রেপ্তারও করেছে পুলিশ।
লোকসভা ভোটের সপ্তম তথা শেষ দফার ঠিক আগের ঘটনা। ১৪ মে কলকাতায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহর রোড শো চলাকালীন বিদ্যাসাগর কলেজে বিদ্যাসাগরের একটি মূর্তি ভাঙা নিয়ে রীতিমতো ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে। পড়ুয়ারা অভিযোগ করেন, অমিত শাহর বিরুদ্ধে স্লোগান ওঠায় মেজাজ হারিয়ে বিজেপি সমর্থকরাই এই ঘটনা ঘটান। তদন্তে নেমে প্রায় ৫০টিরও বেশি ভিডিও ফুটেজ হাতে পায় পুলিশ। যদিও ওই কলেজের কোনও সিসিটিভি ফুটেজ হাতে আসেনি। বাংলার ঐতিহ্য নষ্ট হয়েছে বলে বিজেপিকেই কাঠগড়ায় তোলে তৃণমূল। যদিও বিজেপি সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে। উলটে অমিত শাহ বলেন, একাজ তৃণমূলের গুন্ডাদেরই।
শুদ্ধস্বর/আইপি

