আপেল সিডার ভিনেগারের উপকারিতা

শুধু রান্নার ক্ষেত্রেই নয়, আপেল সিডার ভিনেগারের উপকারিতার আরও নানা দিক রয়েছে। স্বাস্থ্যকর নানা কারণে এই ভিনিগারকে ডায়েটে রাখার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। এই ভিনিগার সৌন্দর্যরক্ষায় যেমন কাজে লাগে, তেমনি শরীরের নানা অসুখ-বিসুখেও কাজে আসে। কিন্তু ভিনিগার অ্যাসিডিক হওয়ায় দিনে দু’ চা-চামচের বেশি না খাওয়াই ভাল এবং তা অবশ্যই পানির সাথে মিশিয়ে খেতে হবে।

আপেল সিডার ভিনেগারের কিছু উপকারিতা পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হল।

  • এই ভিনিগার ব্যাকটিরিয়া মারতে সক্ষম বলে ডায়রিয়া সমস্যায় বিশেষ উপকারী। এক-দু’ চা চামচ ভিনিগার এক গ্লাস গরম পানিতে মিশিয়ে খেলে উপকার মিলবে।
  • ডায়াবিটিসের সমস্যায় এই ভিনিগার উপকারী। মূলত ইনসুলিন তৈরি করতে না পারা বা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্টের কারণেই রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ে। খাওয়াদাওয়ার আধ ঘণ্টা আগে এক গ্লাস পানিতে এক চামচ আপেল সিডার মিশিয়ে খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে।
  • গলাব্যথার ক্ষেত্রে আধা কাপ ঈষদুষ্ণ পানিতে দু’চামচ আপেল সিডার ভিনিগার ও মধু মিশিয়ে গার্গল করলে আরাম পাবেন।
  • হজমের সমস্যা মেটাতেও এই ভিনিগার খুব কার্যকর। গরম পানিতে এক চামচ আপেল সিডার ভিনিগার বদহজম থেকে মুক্তি দেবে।
  • শ্যাম্পু করার পর চুল ধুয়ে নিন আপেল সিডার ভিনিগার মেশানো জল দিয়ে। কন্ডিশনারের সমান উপকার পাবেন। চুল নরম হবে, ব্যাকটিরিয়ার উপস্থিতির জন্য খুশকির সমস্যাও কমবে দ্রুত।
  • খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে ও ভাল কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে আপেল সিডার ভিনিগার খুবই উপকারী।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.