Tuesday April20,2021

দেশে অগ্নিসন্ত্রাসের জনক বিএনপি। আর এই সন্ত্রাসের আগুনে একসময় তাদের নিজেদের ঘরও পুড়বে। নিজেরা আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে এখন হেফাজতের ওপর ভর করছে। এজন্য বিএনপির অপরাজনীতি বুমেরাং হতে বাধ্য বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, বিএনপি সরকার হটাতে ছাত্র ও শ্রমিকদের ঐক্যের কথা বলছেন, কিন্তু তারা ছাত্র-শ্রমিকদের কোনও সাড়া পাচ্ছে না। জনগণেরও কোনও আস্থা পাচ্ছে না। বিএনপির এখন রাজনৈতিক আইসোলেশন দরকার।

বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবনে ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, মহামারিকালে বিএনপি নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে সরকার হটানোর নামে ধান ভানতে শীবের গীত গাইছেন। আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা যখন অসহায়, কর্মহীন, খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে এবং স্বাস্থ্যবিধি মানতে জনগণকে সতর্ক করছে, তখন বিএনপি তাদের উগ্র সাম্প্রদায়িক মিত্রদের নিয়ে দেশে নৈরাজ্য তৈরির অপপ্রয়াস চালাচ্ছে। দেশের সম্পদ জ্বালিয়ে দিচ্ছে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে বিএনপি নির্মম ও নির্লজ্জ রাজনীতি করছে। তারা একবার বলে লকডাউন দিতে হবে, আবার বলে লকডাউন দিলে মানুষ খাবে কী? বিএনপির এমন দ্বিমুখী নীতি এবং করোনা নিয়ে অপরাজনীতি মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। আর এজন্যই ক্ষেত্রবিশেষে সংক্রমণের মাত্রাও বেড়ে যাচ্ছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি করোনার চেয়েও ভয়াবহ ভাইরাসে আক্রান্ত, যার লক্ষণ নেতিবাচকতা, মিথ্যাচার, ষড়যন্ত্র আর আগুন সন্ত্রাস। বিএনপির এখন রাজনৈতিক আইসোলেশন দরকার।’

পরে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ঢাকা সড়ক জোনের অধীনে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের আমিনবাজারে আট লেন বিশিষ্ট নতুন সেতুর নির্মাণ কাজের সূচনা অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

এসময় ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ঢাকা আরিচা মহাসড়কের আমিনবাজার, সালেহপুর এবং নয়ারহাটে তিনটি সেতু নির্মাণের লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। দ্বিতীয় আমিনবাজার সেতুটিও এ প্রকল্পের আওতায় নির্মাণ করা হচ্ছে।’

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আটলেন সেতু ছাড়াও সেতুর দু’প্রান্তে প্রায় দেড় কিলোমিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে। সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় দুইশত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হতে যাচ্ছে দুইশত তেত্রিশ মিটার দীর্ঘ দ্বিতীয় আমিনবাজার সেতু।’

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে শেখ হাসিনা সরকার ঢাকাসহ অন্যান্য সিটি করপোরেশন এলাকাধীন সড়কে শর্তসাপেক্ষে গণপরিবহন চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মহানগরে বেশিরভাগ পরিবহন নিষেধাজ্ঞা মানলেও অনেক পরিবহন মানছে না। আবার কেউ কেউ নির্দিষ্ট এলাকা এবং নির্দিষ্ট সময়ের বাইরে পরিবহন চালাচ্ছে, এমতাবস্থায় সমন্বয়কৃত ভাড়ার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। শর্ত উপেক্ষা করলে সরকার আবারও কঠোর হতে বাধ্য হবে।’

সকলকে শতভাগ মাস্ক ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহবান জানান আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।