Wednesday April14,2021

স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা-কর্মীদের আরও সাহস ও শক্তি সঞ্চয়ের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল আয়োজিত এক প্রতিবাদ কর্মসূচিতে শনিবার সকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

‘লেখক ও সাংবাদিক মুশতাক আহমেদ এবং সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন মুজাক্কির হত্যার প্রতিবাদে’ এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্য করে মির্জা আব্বাস বলেন, এভাবে চলবে না। আপনারা সাহস করে এখানে বসে আছেন, আপনাদেরকে আমি ধন্যবাদ জানাই। আমাদের আরও সাহস ও শক্তি সঞ্চয় করতে হবে। এই স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। আমরা একজন একজন করে কোটি জনগণ এক সঙ্গে হয়ে একদিন আমরা এই স্বৈরাচার সরকারের পতন ঘটাবো।

তিনি বলেন, আমরা প্রতিবাদ সভা করছি- কারণ আমরা আমাদের কথা বলার অধিকারটা চাই। আমরা দেশের স্বাধীনতা চাই। আমরা দেশের মানুষের স্বাভাবিকভাবে কথা বলার গ্যারান্টি চাই। আমরা স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি চাই। কিন্তু আজকে চারদিকে কত অত্যাচার, নির্যাতন ও নিপীড়ন। এতো ভয় কিসের। কাকে এতো ভয়?

সরকারকে উদ্দেশ্য করে আব্বাস বলেন, যাকে ভয় পাবেন তাকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করে আটকে রেখেছেন (বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া)। যাকে ভয় পাচ্ছেন, সেই তারেক রহমান প্রবাসে আছেন। যাকে ভয় পাচ্ছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, উনি আমাদের মাঝে নেই। তবু এতো ভয় কেন আপনাদের? আমি বুঝতে পারি না। এতো ভয়, কী জন্য এতো ভয়?

কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সকাল ৯টার পর প্রেসক্লাবের সামনে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা-কর্মীদের সমবেত হতে দেখা যায়। শতাধিক নেতা-কর্মী এই সমাবেশে অংশ নেন।

এ দিকে কদম ফোয়ারা, তোপখানা রোডে ও সচিবালয়ের সামনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কঠোর নিরাপত্তার বলয় গড়ে তোলেন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পথচারীদের তল্লাশি করেন।

কর্মসূচিতে যোগ দিতে আসা নেতা-কর্মীদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বাধা দিয়েছেন বলেও প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে অভিযোগ করেন নেতারা।

স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েলের সঞ্চালনায় কর্মসূচিতে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ দপ্তর সম্পাদক নাজমুল হাসান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।