Saturday March6,2021

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, বিএনপির এমন কোনো নেতাকর্মী নেই যার বিরুদ্ধে মামলা নেই। কেনো এতো মামলা, হত্যা-গুম? শুধুমাত্র সরকার টিকে থাকার জন্য এসব করছে।

তিনি বলেন, আমরা বলতে চাই, কোনো স্বৈরাচার সরকার কখনই ক্ষমতা ছাড়ে না, তাকে ক্ষমতা ছাড়াতে হয়। কেউ আপনাকে অধিকার দেবে না, অধিকার আদায় করতে হবে। জনগণ ফুঁসে উঠেছে। ইনশাআল্লাহ, এই জনগণের দাবির তোড়ে, আন্দোলনে একদিন সকল স্বৈরাচার সরকারের মতো এই সরকারেরও পতন হবে।

বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, দলের প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ সাতক্ষীরার ৩৪ জন নেতাকর্মী, পাবনায় ৪৭ জন নেতাকর্মীকে সাজা প্রদান এবং দলের বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ সালাহউদ্দিন আহমেদকে কারাগারে প্রেরণের ঘটনার প্রতিবাদে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিলের প্রসঙ্গে বিএনপির মির্জা আব্বাস বলেন, এ পদক এই সরকার দেয় নাই। এই পদক স্বাধীনতার পরপর বাংলাদেশের জনগণ ভালোবেসে জিয়াউর রহমানকে দিয়েছে। আর আপনারা (সরকার) আইন দেখান।

তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সাজা দিয়ে লাভ হবে না মন্তব্য করে মির্জা আব্বাস বলেন, এ দু’বছরের সাজা দিয়ে আপনারা কী অর্জন করলেন।

জিয়াউর রহমানকে হত্যা করে অনেকে মনে করলো বিএনপি শেষ। বিএনপি শেষ হয়ে যায়নি, এখনও আছে। তখন বিএনপির হাল ধরেন বেগম জিয়া। ভবিষ্যতে তারেক রহমান হাল ধরবেন।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, হাবিবুর রহমান হাবিব, বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি গোলাম সারোয়ার, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূইয়া জুয়েল, কৃষকদলের সদস্য সচিব কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন, ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন, সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবন, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান আমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল, জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, মৎস্যজীবী দলের সদস্যসচিব আব্দুর রহিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।