Sunday February28,2021

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে আটকে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি নেতারা। তারা বলেন, খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে সরকার আটকে রেখেছে। এখন একটাই দায়িত্ব, সব ব্যারিকেড ভেঙে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে।

আজ মঙ্গলবার নয়াপল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম’র উদ্যোগে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন কর্মসূচিতে নেতারা এসব কথা বলেন।

‘বিএনপি চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্রের মাতা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাবন্দী রাখার তিন বছর; মিথ্যা সাজা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে’ শীর্ষক শিরোনামে সন্ধ্যায় নেতাকর্মীরা মোতবাতি প্রজ্জ্বলন কর্মসূচি করে।

নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের সদস্য ও বিএনপির স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপুর সভাপতিত্বে ও সংগঠনের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরীর সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ঢাকা মহানগর বিএনপির দক্ষিণের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল, বিএনপি নেতা ডা. রফিকুল ইসলাম, আজিজুল বারী হেলাল, আব্দুস সালাম আজাদ, শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েল, ছাত্রদলের ফজলুর রহমান খোকন প্রমুখ।

রুহুল রিজভী বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া শুধু বিএনপির চেয়ারপারসন নন, জনগণের অধিকারের জন্য জেল-জুলুম টিয়ারসেলসহ সকল নিপীড়ন-নির্যাতনকে বুকে ধারণ করে তিনি রাজপথে গণতন্ত্রের পতাকা উড্ডীন করেছেন। সেই মহান নেত্রীকে অন্যায়ভাবে আটক রাখা হয়েছে। কারণ ভোটারবিহীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশনেত্রীকে ভয় পান।’

‘বেগম জিয়া বাইরে থাকলে দিনের ভোট রাতে করতে পারতেন না, অবৈধ ভোট করতে পারতেন না। এজন্যই বেগম জিয়াকে বন্দী করে রাখা হয়েছে’, যোগ করেন রিজভী।

বিএনপির আন্দোলন নিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের দেয়া বক্তব্যের জবাবে সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেছেন, ‘আন্দোলন দেখতে চান- পুলিশ রেখে রাজপথে আসেন। দেখেন, জনগণ আন্দোলন দেখাতে পারে কিনা।’

বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যত অন্যায় অবিচার দুর্নীতি করেছে। এই সমস্ত অন্যায় ও ব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম যে কর্মসূচি নিয়েছে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন। এই মোমবাতি প্রজ্জ্বলন শুধু মোমবাতি নয়। এটা হচ্ছে আন্দোলনের প্রতীক মশাল। এই জ্বলন্ত মশাল দিয়েই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। তারেক রহমানকে দেশে ফেরত আনতে হবে। আর এ যে শেখের বেটি বসে আছে অন্যায়ভাবে, তাকে সেই আসন থেকে নামাতে হবে। এটাই হোক আজকের শপথ।’