Wednesday March3,2021

ঘুষ-দুর্নীতি সমাজের স্তরে স্তরে ছড়িয়ে পড়েছে। লুটপাটকারীরা বিভিন্ন দেশে টাকা পাচার করছে। এরা সবাই বর্তমান সরকারের মদদপুষ্ট। রোববার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব মন্তব্য করেন বিএনপির সংসদ সদস্য জি এম সিরাজ।

তিনি আরো বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক; এ বিষয়গুলো রাষ্ট্রপতি তার বক্তব্যে আনেননি। তাই আমি রাষ্ট্রপতির বক্তব্যকে ধন্যবাদ জানাতে পারছি না। এ জন্য আমি দুঃখিত।

এমন বক্তব্যের পর সংসদে উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা হৈ চৈ শুরু করেন। টেবিল চাপড়িয়ে তার বক্তব্যের প্রতিবাদ জানান।

অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বি মিয়া। তিনি সদস্যদের শান্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, জি এম সিরাজ বলছেন, তাকে বলতে দেন, প্রয়োজন হলে পরে আপনারাও বলবেন।

জি এম সিরাজ তার বক্তব্যে বলেন, গত ১০ বছরে দেশের ১০ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে। কুয়েতে কারাদণ্ড হয়েছে লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য শহীদ ইসলাম পাপুলের। তিনি সংসদ কলঙ্কিত করেছেন, দেশ কলঙ্কিত হয়েছে। ব্যাংক, মন্ত্রণালয় কোথায় নেই দুর্নীতি। শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়েছে। দুর্নীতিবাজরা দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছে। এখন নির্বাচন মানে মনোনয়ন পেলেই আওয়ামী লীগের প্রার্থীর বিজয়ের সার্টিফিকেট। জনগণের অর্থ হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে এ নির্বাচন করে কি লাভ।

তিনি বলেন, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ দমনে আমি প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করবো। নারী উন্নয়ন, শিক্ষাখাতের উন্নয়নে আমি প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করছি, ধন্যবাদ দিতে চাই। আমরা সংসদে কম সদস্য হলেও জনগণ আমাদের বক্তব্য শুনতে চায়, আপনি (স্পিকার) শুনতে চান, প্রধানমন্ত্রী শুনতে চান। কিন্তু আওয়ামী লীগের সদস্যরা হৈ চৈ করছেন, এটা ব্যাড প্রাক্টিস।