Sunday March7,2021

 

দেশে করোনাভাইরাসের টিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আগে আগে নিলে বলবে আগে নিজেই নিলো, কাউকে দিলো না। সবাইকে দিয়ে নিই তারপর আমি নেবো।

সবার ভ্যাকসিন নেয়া দেখে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমার তো মন চাইছে, আমরাও গিয়ে টিকা নিয়ে আসি। না থাক। শেষে আগে আগে নিলে সমালোচকরা বলবে, নিজেরাই আগে নিয়ে নিছে।

বিশ্বের অনেক দেশ যেখানে এখনো করোনার টিকা দেওয়া শুরু করতে পারেনি, সেখানে সীমিত শক্তির বাংলাদেশে এই কার্যক্রম শুরু করাকে ‘ঐতিহাসিক’ বলছেন প্রধানমন্ত্রী।

 

আজ বুধবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে এই টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।

কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের নার্স রুনু ভেরোনিকা কস্তাকে করোনার টিকা দেয়ার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে শুরু হয় এই টিকাদান কার্যক্রম। এরপর পর্যায়ক্রমে চিকিৎসক হিসেবে প্রথম টিকা নেন মেডিসিন কনসালটেন্ট ডা. আহমেদ লুৎফর মবিন, তারপর স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, ট্রাফিক পুলিশের সদস্য দিদারুল ইসলাম ও সেনা বাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরান হামিদ।

সবাইকে স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি সেই সাথে মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে, আল্লাহর কাছে এইটুকু শুকরিয়া আদায় করি যে, আমরা সময়মতো এই ভ্যাকসিনটা ক্রয় করতে পেরেছি, আনতে পেরেছি ও তা আজকে প্রয়োগের মাধ্যমে আমাদের দেশের মানুষকে আমরা সুরক্ষা দিতে সক্ষম হবো।

তিনি বলেন, এরপর সারাদেশে টিকা দেয়া শুরু করা হবে, যাতে দেশের মানুষ তাড়াতাড়ি স্বাস্থ্য সুরক্ষা পায়।

তিনি আরো বলেন, আমরা যে ৩ কোটি ৪০ লাখ ডোজ কিনেছি তার মধ্যে ৫০ লাখ এসে গেছে। আর বাকি এটা আমরা যখনই…আমরা দিতে শুরু করে দেব। এরপর থেকে আরো আসতে থাকবে। কাজেই এই ব্যাপারে কোনো সমস্যা হবে না।

প্রথম টিকা গ্রহণের সময় রুনুকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জিজ্ঞেস করেন তোমার ভয় লাগছে না তো? জবাবে রুনু বলেন, না। এরপর প্রধানমন্ত্রী বলেন, খুব সাহসী তুমি। তুমি সুস্থ থাকো, ভালো থাকো। আরো অনেক রোগীর সেবা করো। সেই দোয়া করি।