Wednesday March3,2021

এদিনই নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়িয়ে চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত করার সিদ্ধান্ত দেন তিনি।

এ নিষেধাজ্ঞার ফলে গ্রিন কার্ডের আবেদনকারী ও অস্থায়ী বিদেশি শ্রমিকরা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবে না। ট্রাম্প মনে করেন, করোনা মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে মার্কিন শ্রমিকদের রক্ষায় এই নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন।

সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছরের এপ্রিল ও জুন মাসে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। ৩১ ডিসেম্বর নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। সেই নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ এ বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হলো। বিদায়ী ট্রাম্প প্রশাসন অভিবাসন নিয়ে সর্বশেষ এই পদক্ষেপ নিল। বিদেশি শ্রমিকদের ওপর এই নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীরা।

নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ২০ জানুয়ারি দায়িত্ব নেবেন। তিনি এই নিষেধাজ্ঞার সমালোচনা করেছেন। তবে, নিষেধাজ্ঞা বদল করবেন কিনা, তা নিয়ে কিছু বলেননি। ট্রাম্পের ঘোষিত এসব নিষেধাজ্ঞা দ্রুতই বাতিল করা সম্ভব।

বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে কমপক্ষে ২ কোটি মানুষ বেকার। অক্টোবর মাসে ক্যালিফোর্নিয়ার ফেডারেল বিচারক বিদেশি শ্রমিকদের ওপর দেওয়া ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞায় স্থগিতাদেশ দেন।

ফেডারেল আদালত বলেছিলেন, এই নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসাক্ষেত্রে অপূরণীয় ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত নিয়ে দেশটির নবম সার্কিট কোর্ট অব আপিলে আবেদন করেছে। ১৯ জানুয়ারি এ নিয়ে যুক্তিতর্ক হওয়ার কথা।