Monday April12,2021

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ‘গুরুতর অসদাচরণের’ যেসব অভিযোগ উঠেছে সেগুলোকে ‘ভিত্তিহীন, অসত্য ও অনভিপ্রেত’ বলেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা।

বৃহস্পতিবার (২৪ ডিসেম্বর) বিকেলে নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে সিইসি বলেন, ‘জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে, তাই বিষয়টি স্পষ্ট করতে এ সংবাদ সম্মেলন। ইসিকে দায়ী করে যে বক্তব্য দেয়া হয়েছে তা অনভিপ্রেত ও আদৌ গ্রহণযোগ্যূ নয়।’

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ সংশ্লিষ্ট গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগ তুলে এর তদন্ত করতে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করেছেন ৪২ নাগরিক। গত ১৪ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির কাছে এ চিঠি পাঠানো হয় বলে জানানো হয়েছে।

৪২ নাগরিকের পক্ষে রাষ্ট্রপতির কাছে ওই চিঠি পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শাহদীন মালিক, যিনি নিজে একসময় আইনজীবী ছিলেন।

ওই চিঠির বিষয়ে সিইসি কে এম নূরুল হুদা বলেন, প্রশিক্ষণ ব্যয়ে আর্থিক অনিয়মের কোনও সুযোগ নেই। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির যে অভিযোগ করা হয়েছে তা ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন’। নিয়ম বহির্ভূতভাবে বিলাসবহুল গাড়ি ব্যবহারের অভিযোগও ‘অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’।’

তিনি বলেন, ‘জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে অসদাচরণের যে অভিযোগ আনা হয়েছে তাও অসত্য। ২০১৮ সালের নির্বাচন বিদেশি কূটনীতিকরা পর্যবেক্ষণ করেছেন। নির্বাচন নিয়ে অভিযোগ তোলেননি। গণমাধ্যমও কোনও অভিযোগ করেনি। বরং অনিয়মের কারণে বহু স্থানীয় নির্বাচন বাতিল করা হয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম, শাহাদাত হোসেন চৌধুরী উপস্থিত থাকলেও ছিলেন না আরেক নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার।