গ্রন্থ সমালোচনা: যে জীবন জনতার কমরেড আ ফ ম মাহবুবুল হক স্মারকগ্রন্থ

.PNG

শরীফ নুরুল আম্বিয়া ও মাহবুবুল হক মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক,পুর্ব- পাকিস্তান ছাত্রলীগের অগ্রগামী চিন্তার ধারক , মুক্তিযুদ্ধে মুজিব বাহিনীর প্রশিক্ষক , স্বাধীনতার পরে দ্বিধাবিভক্ত ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন ১৯৭২-১৯৭৩ সালে।

জাসদ মুক্তিযোদ্ধা ও ছাত্র বিপ্লবীদের দল। জাসদ দল গঠনের শরীফ নুরুল আম্বিয়ার ও মাহবুবুল হক উভয়ই প্রধান ভূমিকা পালন করেন। শরীফ নুরুল আম্বিয়ার কলমে মাহবুবুল হক উঠে এসেছেন নানা আঙ্গিকে। পোশাকে চলনে প্রথা বিরোধী মাহবুবুবুল হক, সমাজতান্ত্রিক রাজনৈতিক আদর্শের প্রতি অবিচল মাহবুবুল হকের চিত্র।

 

“নাহি বর্ণনার ছটা ঘটনার ঘনঘটা,
নাহি তত্ত্ব নাহি উপদেশ।
অন্তরে অতৃপ্তি রবে সাঙ্গ করি মনে হবে
শেষ হয়ে হইল না শেষ।
জগতের শত শত অসমাপ্ত কথা যত,- ” –
”বর্ষাযাপন’-সোনারতরী কাব্যগ্রন্থ , – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শরীফ নুরুল আম্বিয়া লিখেছেন ” এখনকার ছাত্রনেতাদের মতো তখন আমরা অত ফিটফাট থাকতাম না, থাকতে চাইতাম না। জৌলুসের প্রতি আমাদের কোনো আকর্ষণ ছিল না। ওটা ছিল বিপ্লবের যুগ। বিপ্লবের উপযুক্ত হওয়ার জন্য কম খরচে সাদাসিধে জীবনযাপন করা বিশ্বাসের অংশ ছিল। শ্রেণিচ্যুত হওয়ার একটা তাগিদ ছিল। আদর্শবাদী সংগঠন গড়ে তোলার প্রত্যয় ছিল আমাদের। মাহবুবের মুখে দাড়ি ছিল, মাথায় ঝাঁকড়া চুল ছিল এবং তা কেটে ছেঁটে রাখত না, অনেক সময় লুঙ্গি পরে মধুর ক্যান্টিন ও বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় দলবলসহ চলাচল করত। তার এই বেশভূষা নিয়ে সমালোচনা হতো।” – সাধাসিধে জীবন যাপন ও শ্রেণীচ্যুতির ধারণা নিজ জীবনে প্রয়োগ করেছেন মাহবুবুল হক। যে কোন চিন্তা ও ধারণা বাস্তবে প্রয়োগের দার্শনিক – ও প্রায়োগিক সংকটকে মোকাবেলা করেই মাহবুবুল হককে অগ্রসর হতে হয়েছে। ব্যাক্তিগত জীবনে শ্রেণীচ্যুতির ধারণাকে প্রয়োগে মাহবুবুল হক সফল হয়েছেন কিন্তু রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে হোঁচট খাওয়ার অনেক ঘটনাই রয়েছে। তবে হোঁচট খেয়ে পথ চলা বন্ধ করেনি তিনি, মারা মাছের মত স্রোতের অনুকূলে ভাসেননি। যেমনটা হাঁটছেন বা হেঁটেছেন শরীফ নুরুল আম্বিয়া , হাসানুল হক ইনু , রাশেদ খান মেননরা, ১৯৭২-৭৫ সালে হেঁটেছেন মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বা সিপিবি । ১৯৮৩- ১৯৯০ পর্যন্ত আ স ম রব, মির্জা সুলতানা রাজা, শাহজাহান সিরাজ। মারা মাছের মত স্রোতের অনুকূলে ভাসা হচ্ছে সমাজতান্ত্রিক আদর্শকে বিকিয়ে দিয়ে ক্ষমতাসীন সরকারের সমর্থক হয়ে যাওয়ার পরেও বিপ্লবী ঘ্রান যুক্ত ‘তালমিশ্রী’ মার্কা রাজনৈতিক বক্তব্য অব্যাহত রাখা।

১৯৯০ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন এর পতন এর পর দুনিয়া ব্যাপী সমাজতন্ত্র ত্যাগের হিড়িক পড়ে। বাংলাদেশে এর ব্যাতিক্রম ছিলেন।বাংলাদেশ সহ বিশ্বব্যাপী ‘ চীন পন্থী’ কমিউনিস্ট গ্রুপ গুলো সোভিয়েত ইউনিয়নকে ‘ সামাজিক সাম্রাজ্যবাদ ” হিসেবে চিত্রিত করে নিজেদের ‘ বিপ্লবী ‘ সত্ত্বাকে জাহির করত। স্তালিন পরবর্তীতে ক্রুশ্চভ এর ক্ষমতা দখল ও স্তালিন বিরোধী কিছু কথা বার্তা মূলত ‘ চীন ও রুশ ‘ পন্থা বামপন্থার জন্ম দেয়। ক্রুশ্চভ- ষ্টালিনীয় ধারার বহমানতা ও বিকাশ মাত্র। আমাদের অঞ্চলের দেশ গুলোতে এর অন্ধ অনুকরণের হিড়িক পড়ে।

১৯১৭ সালে অক্টোবর বিপ্লবের মধ্য যে পৃথিবীর প্রথম সমাজতান্ত্রিক দেশ হিসেবে সোভিয়েত ইউনিয়ন এর শুরু। ১৯২৪ সনে লেলিনের মৃত্যু ও পরিবর্তী দশ বছর সোভিয়েত পার্টি নেতাদের বহিস্কার ও খুনের মধ্য দিয়ে স্তালিনের নেতৃত্বে আমলাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। অক্টোবর বিপ্লবের অর্জন গুলো ক্ষয়ে যেতে থাকে। ১৯৯০ সালে অক্টোবর বিপ্লবের যা কিছু অবশিষ্ট ছিল তা মাটি চাপা দিয়ে পুঁজিবাদী অর্থনীতির পথে পা বাড়ায়।

সোভিয়েত পতনের পায়ের আওয়াজ ১৯৮০ এর দশকের মাঝামাঝি থেকেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল। এই অস্থিরতায় আমাদের দেশ সহ নানান দেশে বামপন্থী দল গুলোর এক্যের ‘ হিড়িক ‘ পরে। এই সব এক্যের রাজনৈতিক ভিত্তি ছিল দুর্বল এবং গোজামিলে ভরা। বাংলদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি এই গোজামিলের এক্যের প্রথম ‘ ফসল’ । ‘ এক্যবদ্ধ’ ওয়ার্কার্স পার্টিতে সামিল হয়েছিল বিমল বিশ্বাসের নেতৃত্বে পূর্ব পাকিস্থান কমিউনিস্ট পার্টির অংশ যারা ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ কে ‘ পূর্ব পাকিস্থান’ মনে করত, টিপু বিশ্বাস – আব্দুল মতিনের পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির একাংশ, সাম্যবাদী দলের একাংশ যারা জিয়াউর রহমানের সামরিক সামনের মধ্যে ‘ দেশ প্রেম’ খুঁজে ফায়ার ছিল , অমল সেনের নেত্বাধীন ওয়ার্কার্স পার্টির একাংশ যারা এরশাদের সামরিক শাসনকে বৈধতা দিতে ১৯৮৬ সালে গণআন্দোলনের মাঝ পথ থেকে সরে দাঁড়িয়েছিল।

জাসদেও এই জাতীয় এক্যের বিলম্বিত ঢেউ লাগে। ১৯৯০ সনের এরশাদ পতনের আন্দোলনে জাসদ সহ তৎকালীন পাঁচ গুরুত্ব পূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই দল গুলোর গুরুত্ব পূর্ণ ভূমিকার ভিত্তি ভূমি ছিল দেশের স্কুল কলেজ – বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু ১৯৯১ সনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বামপন্থীদের ভরাডুবি ঘটে। বামপন্থীরা কোনো আসন পেতে ব্যর্থ হয়। নির্বাচনে চাটখিল -নোয়াখালীতে মাহবুবুল হক ও চৌহালী – সিরাজগঞ্জে আব্দুল মতিন ভোটার ফলাফলের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন । অন্য সব প্রার্থীর অবস্থা ছিল ভোটার ফলাফলের নিচের দিকে। ১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সকল বামপন্থী দলের প্রার্থীরা ‘গুঁ’ হারা হারেন। ভোটের রাজনীতির এই লেজে গোবরে অবস্থা জাসদ [ ইনু – আরিফ – আম্বিয়া ] কে ওয়ার্কার্স পার্টি ধাঁচের গোজামিলের এক্যের পথে হাঁটতে বাধ্য করে। জাসদ [রব] – এরশাদ সামরিক সরকারের সমর্থক আর জাসদ [ ইনু – আরিফ – আম্বিয়া ] এরশাদ সামরিক সরকার বিরোধী এক্যবদ্ধ হয়। এই স্রোতে বাসদ [ মাহবুব ] এর একাংশ সামিল হয়। প্রসঙ্গত জাসদ ও ওয়ার্কার্স পার্টির ‘এক্য’ বেশি দিন টিকে থাকেনি। যত গুলো খন্ড এক হয়েছিল, প্রায় ততোধিক খন্ডে এই দল দুটো ভাগ হয়ে পড়েছে।

এই সময়ের মধ্যে শরীফ নুরুল আম্বিয়া সমাজতন্ত্রকে রাজনৈতিক আদর্শকে ঝেড়ে ফেলেছেন। জাসদ জন্মকালীন প্রতিশ্রুতি থেকে উল্টো পথে হাটা শুরু করেছেন। ১৯৭৯ সালে জাসদ একমাত্র সংসদ সদস্য নিয়ে আওমীলীগ নেতৃত্বে ‘ জাতীয় সরকার ‘ এ যোগ দেয়। এই সময় কালে শরীফ নুরুল আম্বিয়া ‘ এক্য ‘ জাসদে মাহবুবুল হকে শামিল করার অভিপ্রায়ে বৈঠক করেন। জনাব আম্বিয়া এই বৈঠকের অভিজ্ঞতা লিখেছেন – ” আমার ধারণা হয়েছিল, ’৯০-এ সোভিয়েতের পতনের পর হয়তো তার চিন্তা-ভাবনার পরিবর্তন হতে পারে। কিন্তু তার চিন্তা-ভাবনার কোনো পরিবর্তন না দেখে আমি নিরাশ হয়েছিলাম।” এখানে দেখা মেলে চির চেনা মাহবুবুল হকের ‘ এ তুফান ভারী, দিতে হবে পাড়ি ‘ । জনাব আম্বিয়া ১৯৭২ সনে রাজনৈতিক অবস্থান ছেড়ে অংকে দূরে অবস্থানের পরেও নির্মোহভাবে মাহবুবুল হককে মূল্যায়ন করে লিখেছেন ” মেহনতী মানুষের মুক্তির সংগ্রামের ভবিষ্যৎ নিয়ে সে অনেক আস্থাশীল ছিল। আমৃত্যু বিপ্লব ও সমাজতন্ত্র আঁকড়ে পড়েছিল। মাহবুব যা বিশ্বাস করত তা-ই সততার সঙ্গে করার চেষ্টা করেছে, বিশ্বাসের সঙ্গে প্রতারণা বা আপস করেনি। ”

শরীফ নুরুল আম্বিয়া তৎকালীন সময়ের রাজনীতি নিয়ে লিখতে গিয়ে ১৭ মার্চ ১৯৭৪ সনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর বাড়ী ঘেরাও নিয়ে লিখেছেন। ” ১৭ মার্চে আমি ঢাকার বাইরে ছিলাম, যা ঘটেছে তাতে আমার কোনো ভূমিকা ছিল না। ” একথকে সত্য ধরে নিয়েও প্রশ্ন জাগে তিনি ঢাকায় থাকলে কি যা ঘটেছে, তা কি ঘটতো না ? জনশ্রুতি সেই মিছিলে লাখ খানেক লোক ছিল। এই বিপুল জনগোষ্ঠীকে নিয়ন্ত্রণে শরীফ নুরুল আম্বিয়ার শারীরিক উপস্থিতি কতটুকু নিয়ন্ত্রণ করতে পারতো তা প্রশ্নবোধক। শরীফ নুরুল আম্বিয়া জাসদ উদোক্তাদের একজন। যেমন মাহবুবুল হক ছিলেন। এই বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে নিজের রাজনৈতিক দায়দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। ভুল – শুদ্ধ- হঠকারিতা যাই হোক জাসদের সকল রাজনৈতিক ঘটনার দায়দায়িত্ব কেন্দ্রীয় নেতাদের সকলের। আম্বিয়া – মাহবুবুল হক এই দায়িত্ব থেকে মুক্ত নন। নিজের শারীরিক অনুপস্থিতি আম্বিয়াকে দায়দায়িত্ব থেকে মুক্ত করে না। এই ঘটনার দায়দায়িত্ব থেকে আড়াল করার প্রচেষ্টার অপর দিক হচ্ছে এই বিক্ষোভ মিছিলে দলের যে সমস্ত নেতা কর্মী নিহত হয়েছেন তাদের প্রতি অশ্রদ্ধা দেখান। শরীফ নুরুল আম্বিয়া বর্তমান সময়ে আওয়ামী লীগ সরকারের অংশ। যদিও এই দলের কোন জাতীয় সংসদ সদস্য নেই। আওয়ামী লীগকে সন্তুষ্ট রাখার প্রচেষ্টায় এই উল্টো কথন কিনা তা ভেবে দেখার যথেষ্ট অবকাশ রয়েছে।

শরীফ নুরুল আম্বিয়া লিখছেন -” ১৭ মার্চ ১৯৭৪ সালে জাসদ রাজনীতির পথ পরিবর্তিত হয়। ঢাকায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলীর বাসভবন ঘেরাও কর্মসূচিতে রক্ষীবাহিনী গুলিবর্ষণ করে অনেক কর্মী মেরে ফেলেছিল। পরের দিন সরকার পক্ষ জাসদ অফিস জ্বালিয়ে দিয়েছিল, পরের এক সপ্তাহ সব জেলায় জাসদ নেতাদের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। রক্ষীবাহিনী ও অন্যান্য সরকার দলীয় বাহিনীর চাপে জাসদের নেতাকর্মীরা উন্মুক্ত তৎপরতা চালাতে পারছিলেন না। এ ঘটনার পর দলের অধিকাংশ নেতাকর্মী গা ঢাকা দেন। মেজর জলিল, আ স ম আব্দুর রবসহ অসংখ্য নেতাকর্মী সে দিন গ্রেফতার হন ঢাকায়। আমাদের একটা বড় ভুল হয়েছিল ওই দিন। সরকারের মধ্যে যে ষড়যন্ত্রকারীরা পরিস্থিতির অবনতি চাচ্ছিল তারা সফল হয়েছিল, আমরা তাদের পাতা ফাঁদে পা দিয়েছিলাম। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য উচ্চপর্যায়ে কথাবার্তা বলে অফিস খোলা হয়েছিল। শাজাহান সিরাজ ও জিকু ভাই কাজ শুরু করেছিলেন, কিন্তু কিছু দিন পর তারাও গ্রেফতার হয়ে গেলে স্বাভাবিক রাজনৈতিক পরিবেশ চরমভাবে ক্ষুণœ হয়। স্বাভাবিক রাজনীতিতে ফিরে আসার প্রচেষ্টা আওয়ামী লীগের ষড়যন্ত্রকারীরা ভ-ুল করে দেয়। ১৭ মার্চে আমি ঢাকার বাইরে ছিলাম, যা ঘটেছে তাতে আমার কোনো ভূমিকা ছিল না। ” আম্বিয়া লিখছেন -” ১৭ মার্চ ১৯৭৪ সালের ঘটনার জন্য ‘আওয়ামী লীগের ষড়যন্ত্রকারী ‘ দেরকে দায়ী করছেন। ঘটনার চার দশক পরে কে বা কাহারা ‘ ষড়যন্ত্রকারী’ তা বলতে অপারগতা রাজনৈতিক মেরুদন্ড হীনতাকে সামনে নিয়ে আসে। এই জাতীয় ‘ তালমিশ্রি’ মেশানো কথা বার্তা আম্বিয়ার বর্তমান আওয়ামী বন্দনাকে পরিপুষ্ট করবে মাত্র।

666

অপু সারোয়ার

লেখক পরিচিতি  :১৯৮০ সাল থেকে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল – বাসদ রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন অপু সারোয়ার ।  ১৯৮৬ থেকে ১৯৯১ পর্যন্ত বাসদ সর্মথিত  ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য , দপ্তর সম্পাদক ও সহ – সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্র বিজ্ঞান এর ছাত্র ছিলেন।  জেনেরাল এরশাদ সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলনের সময় বিভিন্ন দফায় আড়াই বছর কারাগারে ছিলেন।  ১৯৯০ এর দশককে জাপান থেকে প্রকাশিত বাংলা মাসিক বাংলার মুখ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।  রাজনৈতিক  বিষয় নিয়ে লেখালেখির সাথে যুক্ত।  প্রকাশিত বই  মার্কসবাদীরা যে উত্তরাধিকার পরিত্যাগ করবে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: