পুতিনের মেয়ের শরীরে বিশ্বের প্রথম করোনা ভ্যাকসিন প্রয়োগ

রাশিয়ায় তৈরি ‘বিশ্বের প্রথম করোনা ভ্যাকসিন’ সেখানকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি বলেছেন, ইতোমধ্যেই তার মেয়ে ভ্যাকসিনটি গ্রহণ করেছেন। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আরটি’র ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

.

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে এই ভ্যাকসিন তৈরি করেছে গামালেয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউট। রাশিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে স্পুটনিক নিউজ সম্প্রতি জানায়, ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের তৃতীয় পর্যায়ে থাকা ভ্যাকসিনটি ১২ আগস্টের মধ্যে অনুমোদন পাবে।
এবার প্রেসিডেন্ট পুতিন জানালেন, মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে তারা ভ্যাকসিনটির ব্যাপারে সবুজ সংকেত পেয়ে গেছেন। এখন তারা গণহারে এটির উৎপাদন শুরু করবেন।
পুতিন জানিয়েছেন, তার মেয়ে ভ্যাকসিনটি গ্রহণ করার পর সামান্য জ্বরাক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে দ্রুতই তার তাপমাত্রা স্বাভাবিক পর্যায়ে চলে এসেছে।
১২ জুলাই রাশিয়ার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, গামালেই ইনস্টিটিউট অব এপিডেমোলজি অ্যান্ড মাইক্রোবায়োলজির উদ্ভাবিত ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সফলভাবে শেষ করেছে তারা। ২২ জুলাই (বুধবার) রুশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাদের ভ্যাকসিনটি প্রস্তুত।
এ মাসের শুরুতে (১ আগস্ট শনিবার) রাষ্ট্রীয় রুশ বার্তা সংস্থা আরআইএ স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে জানায়, অক্টোবর মাস থেকে জনগণকে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হবে। তবে সবিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে রাশিয়াকে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন উদ্ভাবনে আন্তর্জাতিক নির্দেশনা অনুসরণ করার আহ্বান জানানো হয়। সুত্র, বাংলা ট্রিবিউন ।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: